মাত্র এক ঘণ্টায় করোনা পরীক্ষার যন্ত্র আবিষ্কার করলো খড়গপুর আই আই টি

25th July 2020 8:13 pm পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
মাত্র এক ঘণ্টায় করোনা পরীক্ষার যন্ত্র আবিষ্কার করলো খড়গপুর আই আই টি


খড়গপুর: বিশ্বের প্রথম বহনযোগ্য ও ছোট করোনা পরীক্ষা যন্ত্র আবিষ্কার করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে খড়গপুর আইআইটির গবেষকরা। শুধু তাই নয় এই যন্ত্রের মাধ্যমে অত্যন্ত কম খরচে করোনা পরীক্ষা করা যাবে। এমনটাই দাবি খড়গপুর আইআইটির (IIT Kharagpur) গবেষকদের। আর এই যন্ত্র কেনার খরচও খুব বেশি নয়। বাজারে একটি আর টিপিসিআর যন্ত্র কিনতে যেখানে খরচ হয় প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা, সেখানে মাত্র ২ হাজার টাকায় এই যন্ত্র পাওয়া যাবে। আর এই যন্ত্রের সাহায্যে করোনা পরীক্ষা করারও বিশেষ কোনও ঝামেলা নেই। আর পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার জন্য বেশি সময় অপেক্ষা করতে হবে না। মাত্র এক ঘণ্টায় করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া যাবে। দেশের যেকোনও প্রান্তে কম ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বা ব্যাটারি কিংবা সৌরবিদ্যুতে সেরে ফেলা যাবে করোনা পরীক্ষা। শনিবার দুপুরে খড়গপুর আইআইটি চত্বরে প্রতিষ্ঠানের ডিরেক্টর অধ্যাপক বীরেন্দ্র কুমার তেওয়ারির উপস্থিতিতে এই নব আবিষ্কৃত যন্ত্রটির উদ্বোধন করা হয়েছে।

এই প্রতিষ্ঠানের স্কুল অফ বায়ো সায়েন্সের অধ্যাপক ও জীবাণু গবেষক অরিন্দম মণ্ডল বলেন, “আমরা ৫০০ সিনথেটিক নমুনা একইসঙ্গে আর টিপিসিআর এবং আমাদের এই পোর্টেবল মেশিনে পরীক্ষা করেছি। দেখা গিয়েছে দু’পক্ষই সমান ফলাফল দেখিয়েছে। যেহেতু সরাসরি মানবদেহের নমুনা পরীক্ষা করার অধিকার আমাদের নেই, তাই আমরা সিনথেটিক নমুনা ব্যবহার করেছি। আমাদের স্থির বিশ্বাস আইসিএমআর মানবদেহের নমুনা এই মেশিনে প্রয়োগ করলে একই ফল পাবে।”





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। ৩৮ বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck