পশ্চিম মেদিনীপুরে করোনা আক্রান্ত অনেকেই

28th July 2020 1:28 pm পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
পশ্চিম মেদিনীপুরে করোনা আক্রান্ত অনেকেই


মেদিনীপুরঃ দিন কয়েক আগেই পশ্চিম মেদিনীপুরে ডেবরা থানার অন্তর্গত বাকলসা গ্রামে এক পোস্টমাস্টার করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। তাঁর চিকিৎসা করা কোয়াক ডাক্তারও দিন কয়েক আগে সংক্রামিত হয়েছেন। রবিবার রাতে ওই কোয়াক ডাক্তারের স্ত্রী এবং ছেলে করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। গড়বেতা-৩ব্লকে নবকোলা গ্রামে এক প্রৌঢ়, দাঁতন-২ব্লকে ধানেশ্বরপুর গ্রামে একজন, ডেবরা থানার বরাটি গ্রামে একজন করোনা আক্রান্ত।
খড়্গপুর শহরে ইন্দা রামকৃষ্ণপল্লিতে একজন পুলিসের এএসআই করোনা পজিটিভ। তিনি হুগলির খানাকুল থানায় কর্মরত। তিনি বাড়ি আসার পর অসুস্থ হন। তাঁর নমুন পরীক্ষা করা হয়। টেস্টে রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। খড়্গপুরে সালুয়ায় এক ইএফআর জওয়ান আক্রান্ত হয়েছেন। দাসপুর-১ব্লকে ফকিরবাজার, সারবেড়িয়া, বাজোয়া এবং দাসপুর গ্রামে একজন করে আক্রান্ত। ঘাটাল পুরসভার কোন্নগর এলাকার এক মহিলা এবং এক যুবতীর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck