পশ্চিম মেদিনীপুরে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত ২৫

30th July 2020 10:46 am পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
পশ্চিম মেদিনীপুরে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত ২৫


পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলা থানার এএসআই ও এক পুলিসকর্মী সহ জেলায় নতুন করে ২৫ জন করোনায় আক্রান্ত হলেন। ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালের এক স্বাস্থ্যকর্মীও আক্রান্ত হয়েছেন। ঘাটালের বীরসিংহে বিদ্যাসাগর ব্লক হাসপাতালের এক নার্স সংক্রামিত হয়েছেন। তার জেরে হাসপাতালে জরুরি বিভাগ আর প্রসূতি ছাড়া কোনও রোগী ভর্তি নেওয়া হচ্ছে না। ঘাটাল ব্লকের চন্দননগর এলাকায় ১১ বছরের কিশোর সহ একই পরিবারের চারজন আক্রান্ত হয়েছেন। ওই এলাকায় ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধাও আক্রান্ত হয়েছেন।
গড়বেতা-৩ ব্লকের সাতবাঁকুড়া এলাকায় গত কয়েকদিনে বেশ কয়েকজন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ওই এলাকায় টানা লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গড়বেতা-৩ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আকাশদীপ সিংহ বলেন, বৃহস্পতিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত গোটা চন্দ্রকোণা রোড, ডুকি, কিয়াবনি, রাঙামাটি, নয়াবসত এলাকা লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিন সব রাজনৈতিক দল, ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এদিন খড়্গপুর শহরে ট্রাফিক এলাকায় ১০ বছরের এক কিশোর ও তার মা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। খড়্গপুরের বরবেটিয়া এলাকায় এক রেলকর্মী এবং ঝাপেটাপুর এলাকায় এক স্বাস্থ্যকর্মী করোনায় আক্রান্ত হন। দাসপুর-à§§ ব্লকে আটজন আক্রান্ত হয়েছেন। এরমধ্যে বাসুদেবপুর, সামাট, রাজনগর, আনন্দগড় সহ কয়েকটি এলাকা রয়েছে। দাসপুর-২ ব্লকের শ্রীবোরা গ্রামে à§©à§® বছরের এক যুবক আক্রান্ত হন। এছাড়া জ্যোৎকেশব গ্রামে এক মহিলা সহ দু’জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। খড়্গপুর শহরের ইন্দা এলাকায় ৫০ বছরের এক পরিচারিকার করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck