অমিত শাহ করোনায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হাসপাতালে

2nd August 2020 6:57 pm ভারত
অমিত শাহ করোনায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হাসপাতালে


দিল্লীঃ করোনা আক্রান্ত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। রবিবার দুপুরে টুইট করে নিজেই সেই খবর জানিয়েছেন বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি। দিল্লিকে করোনামুক্ত করতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন তিনি। দিন কয়েক ধরে তার নিজেরই করোনার উপসর্গ দেখা দেওয়ায় কোভিড পরীক্ষা করান। এদিন দুপুরে তাঁর পরীক্ষার রিপোর্ট আসে।  গুরুগ্রামের মেদান্ত সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে অমিত শাহকে। হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, কোমর্বিডিটি রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। তাই তাঁকে নিয়ে ঝুঁকি অনেক বেশি। তাঁর শরীরে অক্সিজেন লেভেলের কী পরিবর্তন ঘটছে, তার উপর নজর রাখা হচ্ছে।

এ দিন বিকেল পৌনে পাঁচটা নাগাদ টুইট করে অমিত শাহ নিজেই করোনা আক্রান্ত হওয়ার কথা জানান। তিনি লেখেন, ‘‘করোনার প্রাথমিক উপসর্গ দেখা দেওয়ায় পরীক্ষা করিয়েছিলাম আমি। তার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। আমার শরীর ঠিক আছে। কিন্তু চিকিৎসকদের পরামর্শে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছি।  গত কয়েক দিনে যাঁরা আমার সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের কাছে অনুরোধ যে নিজেদের আইসোলেট করে পরীক্ষা করিয়ে নিন আপনারা।’’





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck