জেনে নেওয়া যাক ভারতীয় সেনা সম্পর্কে ১০টি জরুরি তথ্য।

15th January 2020 ভারত
জেনে নেওয়া যাক ভারতীয় সেনা সম্পর্কে ১০টি জরুরি তথ্য।


সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারতীয় সেনা সম্পর্কিত পোস্ট মানেই তা মুহূর্তে ভাইরাল। জাতীয়তাবাদের সরকারি মুখচ্ছবি হিসেবে এক নম্বরেই অবস্থান করে ভারতীয় সেনা। সামাজিক পরিসরেও তার অবস্থান এক প্রশ্নাতীত বিন্দুতে। বলিউডি মূলধারার ছবি থেকে শুরু করে কনজিউমার আইটেমের বিজ্ঞাপন পর্যন্ত অবাধ যাত্রায় ভারতীয় সেনা। অথচ ভারতীয় হিসেবে আমরা কতটা খোঁজ রাখি ভারতীয় সেনার খুঁটিনাটির?
জেনে নেওয়া যাক ভারতীয় সেনা সম্পর্কে ১০টি জরুরি তথ্য।
১. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চিনের পরেই ভারতীয় সেনার অবস্থান। আকারের নিরিখে।
২. পরমাণু শক্তি-চালিত ইন্টার কন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল ‘অগ্নি-à§«’ ভারতের অধিকারে। ভারত ছাড়া এমন মিসাইল রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন, ফ্রান্স এবং রাশিয়ার।
à§©. ভারতের জাহাজবাহিত মিসাইল ‘নির্ভয়া’ উৎক্ষিপ্ত হলে একটা বিমানের আকৃতি গ্রহণ করে। টার্গেটের কাছাকাছি এলে সে অ্যান্টি মিসাইল বাধাগুলিকে দূর করতে শুরু করে। এটিকে থামানো প্রায় অসম্ভব।
৪. ‘আইএনএস বিক্রান্ত’ ভারতের প্রথম এয়ারক্রাফ্ট কেরিয়ার। এটি কেনা হয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে।
à§«. ‘মার্কোস’ নামে একটি বিশেষ কম্যান্ডো বাহিনী তৈরি হয় ভারতীয় নৌ-সেনার অধীনে ১৯৮৭ সালে। এর অন্যতম কাজ সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ।
৬. ১৯৬৬ সালে তৈরি হয় ‘প্যারা কম্যান্ডো’ বাহিনী। এটি ভারতীয় সেনার স্পেশাল ফোর্সের সর্ববৃহৎ অংশ। এটি বস্তুত প্যারাট্রুপার বাহিনী।
à§­. ‘ঘাতক’ নামে ভারতীয় সেনার একটি পদাতিক বাহিনী রয়েছে। কোনও ব্যাটেলিয়ন অগ্রসর হওয়ার আগে এরা শত্রু এলাকায় প্রবেশ করে।
৮. ভারতীয় সেনার অন্যতম বিখ্যাত বাহিনী গোর্খা রেজিমেন্ট-এর জন্ম ১৮১৫ সালে। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গোর্খা যুদ্ধে গোর্খাদের পর্যুদস্ত করতে ব্যর্থ হলে তাদের সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে আহ্বান জানায়। তারই ফল এই রেজিমেন্ট।
৯. ভারতীয় সেনার আজও একটি অশ্বারোহী বাহিনী রয়েছে। ভারত ছাড়া এমন বাহিনী রয়েছে মাত্র দু’টি দেশের।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck