কলকাতা: পূর্বঘোষিত সূচিতেই শিলমোহর দিল আইপিএলের গভর্নিং কাউন্সিল। রবিবারের বৈঠকে ঠিক হয়েছে, প্রতিযোগিতা শুরু হবে ১৯ সেপ্টেম্বর। ফাইনাল ১০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। অতীতে দেখা গিয়েছে আইপিএলের ফাইনাল মূলত ছুটির দিন অর্থাৎ রবিবার হয়ে থাকে। কিন্তু এবার হবে মঙ্গলবার। খেলা শুরু হবে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায়। মোট তিনটি ভেন্যু বেছে নেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে শারজা, আবুধাবি ও দুবাই।
আইপিএলের শুরুতে খেলা হবে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে। তবে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটলে টুর্নামেন্টের অন্তিম লগ্নে সীমিত সংখ্যক দর্শককে মাঠে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হতে পারে। ২৬ আগস্টের পর আমিরশাহি যেতে পারবে দলগুলি। ক্রিকেটারদের জন্য বিশেষ বিমানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটারদের প্রতিযোগিতার প্রথম দিকে পাওয়া যাবে কিনা, তা স্পষ্ট হয়নি। তবে ২৪ জনের বেশি ক্রিকেটার নিয়ে যেতে পারবে না কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজি। কোনও ক্রিকেটার টুর্নামেন্ট চলাকালীন করোনায় আক্রান্ত হলে কি হবে? তা নিয়েও প্রশ্ন ছিল ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলির মধ্যে। গভর্নিং কাউন্সিলের বৈঠকে ঠিক হয়েছে, আইপিএলে কোভিড সাব চালু করা হবে। অর্থাৎ পরিবর্ত খেলোয়াড় নেওয়া যাবে।
একদিকে, করোনার চোখ রাঙানি, অন্যদিকে বিদেশে আইপিএল করার কঠিন চ্যালেঞ্জ। তাই সাবধানে পা ফেলতে চাইছে বিসিসিআই। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে সম্মতিও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড পেয়ে গিয়েছে। তা গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যদের জানানো হয়। তবে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আইপিএল সম্পর্কিত যাবতীয় আর্থিক লেনদেনে যেন স্বচ্ছ্বতা থাকে। কারণ, অতীতে বিদেশে আইপিএল করা নিয়ে নানা দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছিল।