করোনায় আক্রান্ত হলেন রাম মন্দিরের পক্ষে রায় দেওয়া বিচারক রঞ্জন গগৈ

5th August 2020 12:19 pm ভারত
করোনায় আক্রান্ত হলেন রাম মন্দিরের পক্ষে রায় দেওয়া বিচারক রঞ্জন গগৈ


আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। তারপরই সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত। বহু প্রতীক্ষিত রাম মন্দিরের ভূমিপুজো ও শিল্যান্যাস অনুষ্ঠান হবে অযোধ্যার রাম জন্মভূমিতে। কিন্তু ভূমিপুজোর আগে করোনার থাবা আরও চওড়া হচ্ছে দেশজুড়ে। এবার করোনা আক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ। তিনি আবার রাজ্যসভার মনোনীত সাংসদও। ২০১৯ সালে ৯ নভেম্বর তাঁর নেতৃত্বাধীন সাংবিধানিক বেঞ্চই রাম মন্দির মামলার ঐতিহাসিক রায় দিয়েছিল। এমন দিনে তাঁর করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশ্যে এল যেদিন রাম মন্দিরের ভূমিপুজো অনুষ্ঠান।

প্রসঙ্গত, এবছর ১৬ মার্চ একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। সেখানে বলা হয় সংবিধানে অনুচ্ছেদ ৮০-à§§(এ) অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ রঞ্জন গগৈকে রাজ্যসভায় মনোনীত করেছেন। এই নিয়ে বিরোধীরা আপত্তি জানায়। কংগ্রেসের বক্তব্য ছিল, রাম মন্দির মামলায় হিন্দুদের পক্ষে রায় দেওয়ার ‘পুরষ্কার’ হিসাবেই তাঁকে রাজ্যসভায় মনোনীত করা হল। এই নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয় সেইসময়। তাঁর নেতৃত্বাধীন à§« সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ স্পর্শকাতর রাম মন্দির মামলার রায় দিয়েছিলেন। এছাড়াও রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের উল্লেখযোগ্য রায়ের মধ্যে রয়েছে কেরলের সবরীমালা এবং রাফালে।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck