খড়গপুরে একজনের দেহে দু বার করোনা

8th August 2020 6:15 pm পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
খড়গপুরে একজনের দেহে দু বার করোনা


খড়গপুরঃ  করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফেরার পর খড়্গপুর রেল হাসপাতালের এক চিকিৎসক ফের করোনায় আক্রান্ত হলেন। বৃহস্পতিবার রাতে ওই চিকিৎসকের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। শুক্রবার ওই চিকিৎসক রেল হাসপাতালে গিয়ে অ্যান্টিজেন টেস্ট করেন। তাতে অবশ্য রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত à§§à§© জুলাই শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে ওই চিকিৎসক রেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। à§§à§« জুলাই রিপোর্ট পজিটিভ আসার পর ওই চিকিৎসক কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন। গত ২৭ তারিখ তিনি করোনামুক্ত হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান। বাড়ি ফিরে হোম আইসোলেশনে ছিলেন। ওই চিকিৎসক জানান, সুস্থ হওয়ার পর মনের ধন্দ মেটাতেই গত ৪ আগস্ট করোনা পরীক্ষার নমুনা দিয়েছিলাম। আরটিপিআরের মাধ্যমে করোনা পরীক্ষা করা হয়। তাতেই রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তবে এদিন র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। সোমবার আমি কাজে যোগ দেব। ডেপুটি সিএমওএইচ-à§§ সৌম্যশঙ্কর ষড়ঙ্গী বলেন, ঠিকমতো নমুনা সংগ্রহ করা না হলে অনেকে সময় রিপোর্ট এরকম আসতে পারে। উনি হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। তাই দুশ্চিন্তার কিছু নেই।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck