পশ্চিম মেদিনীপুরে করোনা রোগী বেড়েই চলেছে

22nd August 2020 4:55 pm পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
পশ্চিম মেদিনীপুরে করোনা রোগী বেড়েই চলেছে


মেদিনীপুর সদর ব্লকের ধেড়ুয়ার ১৪বছর বয়সি ওই কিশোরী টাইফয়েডে আক্রান্ত হওয়ায় ১৭আগস্ট তাকে স্থানীয় দেপাড়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। ওই দিন র্যা পিড টেস্টে পজিটিভ রিপোর্ট আসার পর তাকে শালবনীতে কোভিড হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ১৯তারিখ লালারস সংগ্রহ করে মেদিনীপুরে মেডিক্যালে টেস্টে পাঠানো হয়। এদিকে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় রেফার করা হয় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ কোভিড হাসপাতালে। তারমধ্যে বৃহস্পতিবার রাতে তার নেগেটিভ রিপোর্ট এসেছে। এখন মেয়ে কলকাতায় কোভিড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সেখান থেকে কীভাবে বের করা যাবে, তা নিয়ে চিন্তার শেষ নেই পরিবারের।
খড়্গপুর শহর এবং গ্রামীণ এলাকাতেই মোট ৭৬জন আক্রান্ত। তাঁদের মধ্যে পুরসভা এলাকায় ৬৩ জন এবং à§§à§© জন গ্রামীণ এলাকার। গ্রামীণ এলাকার আক্রান্তদের অধিকাংশই শহরে শ্রমিকের কাজ করেন। রেলশহরের সুভাষপল্লি, মালঞ্চ, খরিদা, নিউ সেটেলমেন্ট এবং ছোট ট্যাংরা এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। মেদিনীপুর শহর ও ব্লক এলাকায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ২৪ জন। দাঁতন-২ব্লকের মহিষগোটে একজন আক্রান্ত। ডেবরা ব্লকে আটজন, সবং এবং পিংলায় একজন করে আক্রান্ত হয়েছেন। চন্দ্রকোণায় চারজন এবং নারায়ণগড় ব্লক এলাকায় সাতজন আক্রান্ত। এছাড়াও মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দু’জনের রিপোর্ট পজিটিভ। তাঁদের বাড়ি দাসপুর ও গড়বেতা থানা এলাকায়।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck