খড়্গপুর আইআইটিতে করোনা

25th August 2020 4:29 pm পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
 খড়্গপুর আইআইটিতে  করোনা


দিন কয়েক আগে সংক্রমিত হয়েছিলেন এক ছাত্র। এ বার খড়্গপুর আইআইটিতে আরও তিনজন করোনা আক্রান্ত হলেন। এঁদের মধ্যে দু’জন পড়ুয়া ও তৃতীয় জন প্রতিষ্ঠানের বিসি রায় হাসপাতালের এক স্বাস্থ্য সহায়ক। আরটিপিসিআর পরীক্ষায় এঁদের করোনা রিপোর্ট পজ়িটিভ এসেছে রবিবার রাতে। তিন জনকেই বি সি রায় হাসপাতালে বর্তি করানো হয়েছে।

আনলক-পর্বে পড়ুয়াদের ক্যাম্পাস ছেড়ে বাড়ি যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন খড়্গপুর আইআইটি কর্তৃপক্ষ। তার পরেও হল (হস্টেল) ছাড়েনি একাংশ পড়ুয়া। এই পরিস্থিতিতে ক্যাম্পাসে ঢোকা-বেরনোয় নানা বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়। তাতেও অবশ্য করোনা ঠেকানো যায়নি। ক’দিন আগে এক বিটেক ছাত্রের করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। তারপর দ্রুত হস্টেল খালির নির্দেশ দেন কর্তৃপক্ষ। খড়্গপুর আইআইটির রেজিষ্ট্রার ভৃগুনাথ সিংহ বলেন, “যাঁরা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন তাঁরা একযোগে আক্রান্ত হয়েছেন এটা নিশ্চিত। কী ভাবে প্রতিষ্ঠান চত্বরে সংক্রমণ ছড়িয়েছে সেটাই আমরা বুঝতে পারছি না।”

গত বুধবার করোনা আক্রান্ত বিটেক অন্তিমবর্ষের ছাত্রটি যে হলে থাকতেন, সেই লালবাহাদুর শাস্ত্রী হলের আবাসিক দুই পড়ুয়া নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন। এঁদের একজন কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের বিটেক ছাত্র, অন্যজন ভূ-তত্ত্ব বিভাগের অন্তিমবর্ষের ছাত্র। দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রটির কথায়, “আমাদের কোনও উপসর্গ নেই। প্রথম যে আক্রান্ত হয়েছিল তার সঙ্গে একই হলে একই তলায় ছিলাম। সেখানেই শৌচাগার বা মেসে খাওয়াদাওয়া থেকে হয়তো সংক্রমণ ছড়িয়েছে।’’ বিসি রায় হাসপাতালের যে স্বাস্থ্যকর্মী পজ়িটিভ হয়েছেন, তিনিও প্রথম আক্রান্ত ছাত্রটিকে কলকাতায় নিয়ে গিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তবে ওই স্বাস্থ্যকর্মী নিজেও দিন পাঁচেক আগে বিষ্ণুপুরে নিজের বাড়ি থেকে ফিরেছেন বলে জানিয়েছেন। সেখান থেকেও তিনি সংক্রমিত হতে পারেন।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck