কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষা হবেই --- সুপ্রিম কোর্ট

28th August 2020 7:08 pm ভারত
কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষা হবেই --- সুপ্রিম কোর্ট


রাজ্য সরকারগুলির বিরোধিতা উপেক্ষা করে ইউনিভার্সিটি গ্রান্ট কমিশনের (UGC) সিদ্ধান্ততে একপ্রকার শিলমোহর দিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। আদালত সাফ জানিয়ে দিল, পরীক্ষা ছাড়া পড়ুয়ারা পরের ক্লাসে উঠতে পারে না। তাই রাজ্য সরকারগুলিকে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিতেই হবে। তবে, প্রয়োজন পড়লে ৩০ সেপ্টেম্বরের ডেডলাইন পিছিয়ে দেওয়া যেতে পারে। করোনা আবহে সেই মার্চ মাস থেকেই বন্ধ স্কুল-কলেজ। এই পরিস্থিতিতে স্কুল এবং কলেজের প্রায় সব স্তরের পরীক্ষাই বাতিল করতে হয়েছে। ব্যতিক্রম শুধু চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষা। ইউজিসির দাবি ছিল, নিয়ম অনুযায়ী কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষা না নিয়ে কোনও পড়ুয়াকে ডিগ্রি দেওয়া সম্ভব নয়। তাই, স্নাতক বা স্নাতকোত্তর স্তরে চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষা নিতেই হবে। গত ৬ জুলাই এক নির্দেশিকা জারি করে ইউজিসি ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পরীক্ষা নেওয়ার ডেডলাইনও ঘোষণা করে। কিন্তু ক্রমবর্ধমান করোনা আতঙ্কের মধ্যে অনেক রাজ্যই এই পরিস্থিতিতে পরীক্ষা নিতে রাজি হয়নি। যার মধ্যে সবার উপরের সারিতে ছিল পশ্চিমবঙ্গ। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে মামলাও হয়।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck