খড়্গপুর শাখায় ১৩০ কিমি বেগে চলবে ট্রেন

25th January 2020 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
খড়্গপুর শাখায় ১৩০ কিমি বেগে চলবে ট্রেন


দক্ষিণ-পূর্ব রেলের খড়্গপুর শাখায় খড়্গপুর-সাঁতরাগাছি স্টেশনের মধ্যে ঘন্টায় প্রায় ১৩০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চালানোর মহড়া হল বৃহস্পতিবার। ওই গতিবেগে মাত্র à§«à§­ মিনিটে খড়্গপুর থেকে সাঁতরাগাছি এসে পৌঁছেছে ট্রেন ইঞ্জিন। রেলের নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্থা সিআরআইএস’র ছাড়পত্র মিললেই ওই শাখায় এক্সপ্রেস ট্রেনগুলিকে ১৩০ কিলোমিটার বেগে চালানো হবে।

রেল সূত্রের খবর, বছর খানেক আগে খড়্গপুর-সাঁতরাগাছি স্টেশনের মধ্যে ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত হয়। সেই মতো গত সাত মাস ধরে ওই শাখায় রেল ট্র্যাকগুলি খোলনলচে বদলে ফেলা হয়েছে। লাইনের পুরনো সুইচগুলি বদলে লাগানো হয়েছে আধুনিক থিক ওয়েব সুইচ। যে জায়গায় রেল লাইন বাঁক নিয়েছে, সেখানে ‘সুপার অ্যালিভেশন’ বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ রেলের বাঁকে দুটি পাতের উচ্চতার মধ্যে নিখুঁত বৈপরীত্য আনা হয়েছে। ব্রিজ, কালভার্ট ইত্যাদি জায়গাগুলিতে ট্র্যাকের গার্ডার, চ্যানেল স্লিপার ইত্যাদি বদলে ফেলা হয়েছে বা নতুন করে মেরামত করা হয়েছে। লেভেল ক্রসিংগুলিতেও ব্যাবহার করা হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি। রেললাইনের এই সমস্ত পরিবর্তনের পরে গত কয়েক মাস ধরে একটি ইঞ্জিন চালিয়ে একাধিকবার মহড়া দেওয়া হয়। সে সময় ইঞ্জিনের চাকায় ‘ওএমএস’ নামে একটি যন্ত্র লাগানো ছিল। ওই যন্ত্র রেললাইনে কোথাও কোনও সমস্যা রয়েছে কি না, তা জানিয়ে দেয়। গত কয়েক মাসে যে কটি মহড়া হয়েছে, তার ‘ওএমএস রিপোর্ট’ সন্তোষজনক ছিল না।

রিপোর্টের ভিত্তিতে লাইন সারানো হয়। তার পরে বৃহস্পতিবার খড়্গপুর থেকে à§§à§©à§« কিলোমিটার বেগে একটি ইঞ্জিন চালানো হয়। রেল সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবারের ইঞ্জিনের চাকায় থাকা ওএমএস থেকে প্রাপ্ত রিপোর্ট ছিল সন্তোষজনক। ফলে দ্রুত গতির ট্রেন চলাচলের পরীক্ষায় পাস করে যায় খড়্গপুর-সাঁতরাগাছি শাখার রেলওয়ে ট্র্যাক। রেলের ইঞ্জিনিয়ারেরা জানাচ্ছেন, যত কিলোমিটার বেগে ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে, মহড়ায় তার থেকে পাঁচ-দশ কিলোমিটার বেশি বেগে ইঞ্জিন চালাতে হয়েছিল। রেলের এক আধিকারিকের কথায়, ‘‘বৃহস্পতিবারের  ওএমএস  রিপোর্ট সন্তোষজনক। রিপোর্টটি সিআইআরসির কাছে পাঠানো হবে। সংস্থার প্রতিনিধিরা ছাড়পত্র দিলেই বাড়ানো হবে ট্রেনের গতি।’’ এবার ওই শাখায় রেলওয়ে ট্র্যাক পরিদর্শনে আসবে সিআরআইএস। সংস্থার প্রতিনিধিরা ছাড়পত্র দিলে আধুনিক হালকা ওজনের কোচগুলিকে ওই গতিবেগে চালানোর জন্য বেছে নেওয়া হবে।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck