জামিন না পেয়ে কেঁদে ফেললেন অর্ণব

9th November 2020 5:25 pm ভারত
জামিন না পেয়ে কেঁদে ফেললেন অর্ণব


News: জামিন না পেয়ে প্রায় কেঁদে ফেললেন অর্ণব ।  আপাতত বিচারবিভাগীয় হেপাজতেই থাকতে হচ্ছে অর্ণব গোস্বামীকে। এদিন রিপাবলিক চ্যানেলের মুখ্য সম্পাদকের জামিনের আবেদন খারিজ করল বম্বে হাইকোর্ট। তবে জানিয়েছে, অর্ণব অন্তর্বর্তী জামিনের জন্য নিম্ন আদালতে আবেদন করতে পারেন। এদিন দুপুরেই নিম্ন আদালতে অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন করেছেন সাংবাদিক। শুক্রবারের মধ্যে রায়। 
অর্ণবের হয়ে মামলা লড়ছেন প্রবীণ আইনজীবী হরিশ সালভে এবং অবাদ পণ্ডা। তাঁরা হাইকোর্টে জানিয়েছেন, অর্ণবের এই গ্রেপ্তারি ‘‌বেআইনি’‌। কারণ একটি পুরনো মামলার জেরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সেই মামলা পুনরায় চালু করার আগে আদালতের অনুমতি নেয়নি মুম্বই পুলিশ। 
গত সপ্তাহে অর্ণব গোস্বামীকে গ্রেপ্তার করে মুম্বই পুলিশ। অভিযোগ, আত্মহত্যায় প্ররোচনা দিয়েছেন তিনি। ২০১৮ সালে আলিবাগের বাড়িতে আত্মহত্যা করেছিলেন ৫২ বছরের ইন্টেরিয়র ডিজাইনার অন্বয় নাইক ও তাঁর মা কুমুদ নাইক। সুইসাইড নোটে অর্ণব সহ দু’‌জনের নাম লিখেছিলেন। সেই মামলা চাপা দেয় মহারাষ্ট্রের তৎকালীন বিজেপি সরকরা।
এবার সেই অভিযোগেই গ্রেপ্তার অর্ণব। প্রথমে একটি কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে রাখা হয়েছিল তাঁকে। রবিবার তালোজা জেলে পাঠানো হয়। যদিও পুলিশ আবেদন করলেও ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত তাঁকে জেল হেপাজতে পাঠায়নি। বদলে বিচারবিভাগীয় আদালতে পাঠিয়েছে।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck