বিহারে গুলনাজের হত্যার প্রতিবাদে নেই কোন মিম দলের নেতা - বিধায়ক

18th November 2020 9:42 am ভারত
বিহারে গুলনাজের হত্যার প্রতিবাদে নেই কোন মিম দলের নেতা - বিধায়ক


News: বিহারে গুলনাজ হত্যার প্রতিবাদ যখন সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে পড়ছে তখন কোন AIMIM দলের নেতা বা বিধায়ককে প্রতিবাদ করতে দেখা গেল না । বিহারে ভোটের আগে মুসলিমদের হয়ে অধিকার রক্ষার প্রতিস্রুতি দিয়েছিল । ৫ টি সিট জিতে গেলেও তারা গুলনাজের হয়ে আন্দলনে এগিয়ে এল না । ফলে মিম দল নিয়ে সেখানকার মানুষজন ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছেন ।

বিহারের বৈশালী জেলার হাজিপুরে ২০ বছর বয়সী গুলনাজ খাতুনকে ৩০ অক্টোবর সতিস কুমার ও তার দুই সঙ্গী মিলে ধরে গায়ে কেরসিন তেল ঢেলে জ্যান্ত জ্বালিয়ে দেয় । সতিসের কু প্রস্তাবে রাজি না হওয়ার কারনে এই হত্যা বলে অভিযোগ গুলনাজের পরিবারের । পুড়ে যাওয়া গুলনাজকে ভর্তি করা হয় হাজিপুর হাসপাতালে । স্থানীয় পুলিশ আধিকারিক এসে বয়ান রেকর্ড করে নিয়ে যায় । কিন্তু কোন পদক্ষেল করে নি ও অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে গুলনাজের পরিবারকে ক্ষতম করার হুমকি দিয়ে চলে। গুলনাজের অবস্থা খারাপ হতে তাঁকে পাটনার PMCH এ ভর্তি করা হয় । ১৫ তারিখ গুলনাজ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে । তার মা বাবা গুলনাজের মৃত দেহ রাস্তায় রেখে বিচার চান । কোন মিডিয়া এই খবর প্রকাশ করতে না চাইলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ও প্রতিবাদি আন্দোলন শুরু হয় । বাধ্য হয়ে পুলিশ গতকাল মুল অভিযুক্ত সতিস কুমার রায়কে গ্রেপ্তার করে । এখনো তার দুই সঙ্গী ফেরার ।

গুলনাজের ছোট বোন গুলশান পারভীন বলেন যে, "অভিযুক্তরা গত তিন-চার মাস ধরে তার বোনকে লাঞ্ছিত করে এবং যৌন হয়রানি করছিল এবং সতীশ রাইয়ের সাথে তার বিয়ের জন্য চাপ আনছিল। অস্বীকার করায় তারা তাকে হত্যা করেছিল ”।

“তুমি হিন্দু এবং আমি মুসলমান। "আপনার সাথে আমার কোনও সম্পর্ক থাকতে পারে না এবং আমি আপনাকে বিয়েও করতে পারি না," দিদি সতীশকে বলেছিলেন।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck