নাবালিকা ধর্ষণ পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতনে

30th January 2020 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
নাবালিকা ধর্ষণ পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতনে


‌নাবালিকাকে ধর্ষণ। অভিযোগ বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে। পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতনের এই ঘটনায় এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। বুধবার অভিযুক্ত বিজেপি নেতা স্বাগতম সুরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এই ঘটনায়। অভিযোগ, বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠান সেরে ফেরার পথে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে গত ২৮ জানুয়ারি ধর্ষণ করেছিল দাঁতনের বিজেপি কর্মী স্বাগতম সুর। পুলিশে অভিযোগও জানায় নিগৃহীত নাবালিকার পরিবার। নাবালিকার শারীরিক পরীক্ষার জন্য তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। নাবালিকার পরিবার জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যে নাগাদ স্কুলের অনুষ্ঠান থাকায় বাড়ি ফিরতে দেরি হয়েছিল। সহপাঠীদের সঙ্গে এলেও একসময় বেশ কিছুটা পিছিয়ে পড়ে নির্যাতিতা। ছাত্রীর অভিযোগ, ওই সময় স্থানীয় যুবক ও বিজেপি কর্মী স্বাগতম সুর তার পথ আটকায়। জোর করে পাশের জঙ্গলে টেনে নিয়ে যাওয়া হয় জানিয়ে যাত্রীর অভিযোগ, সেখানেই ধর্ষণ করা হয় তাকে। কোনওভাবে সেখান থেকে বাড়িতে ফিরে ওই ছাত্রী। প্রথমে কাউকে কিছু না বললেও পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরিবারের লোককে সমস্ত ঘটনা জানিয়ে দেয় নাবালিকা। বুধবার রাতেই দাঁতন থানায় অভিযোগ দায়ের করে নাবালিকার পরিবার।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck