খেতে না পেয়ে টোটো চালাতে বাধ্য হল নবম শ্রেণীর ছাত্রী রোশিতা

24th November 2020 7:16 pm পশ্চিমবঙ্গ
খেতে না পেয়ে টোটো চালাতে বাধ্য হল নবম শ্রেণীর ছাত্রী রোশিতা


News: বাবা অসুস্থ। ভাঁড়ার শূন্য। হাঁড়ি চলবে কী করে তা ভেবে পাচ্ছিল না নবম শ্রেণির ছাত্রী। সংসারের বোঝা টানতে তাই বাধ্য হয়ে টোটোর স্টিয়ারিং ধরল নবম শ্রেণির পড়ুয়া। ঘটনাটি মালবাজারের (Malbazar) মেটেলি ব্লকের বড়দিঘি চা বাগানের।

উপার্জনের আশায় টোটো কিনেছিলেন মেটেলির মার্টিন টোপনো। ভালই চলছিল সব কিছু। কিন্তু ভাগ্য বিরূপ, কিছুদিন যেতে না যেতেই শরীরে থাবা বসাল বিরল রোগ। এখন চোখেও ঠিকঠাক দেখেন না মার্টিন, কর্ম ক্ষমতাও অনেকটাই কমেছে। তাই বাধ্য হয়ে তাঁর পেশা সামলাচ্ছেন বড়ো মেয়ে রোশিতা টোপনো। অসুস্থ বাবাকে পিছনের সিটে বসিয়ে টোটো চালাচ্ছে চালসা গয়ানাথ বিদ্যাপিঠের নবম শ্ৰেণির ছাত্রী। টোটোতে যাত্রী নিয়ে তাঁদের পৌঁছে দিচ্ছে গন্তব্যে।

স্ত্রী, তিন মেয়েকে নিয়ে সংসার মার্টিন টেপানোর। স্ত্রী বহুদিন ধরেই কাজ করেন চা বাগানে। পাঁচজনের সংসারের খরচ অনেক। তাই টোটো কিনেছিলেন মার্টিন। কিন্তু এখন মাল সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে সুগার-সহ তাঁর নানান শারীরিক সমস্যার চিকিৎসা চলছে। মার্টিনের কথায়, “চোখে দেখি না, টোটো চালানোর শক্তিও নেই। তাই বড়ো মেয়ে প্রায় মাস ছয়েক ধরে আমার কেনা টোটো চালাচ্ছে। টোটো না চললে সংসার চলবে কী করে! তার উপরে রয়েছে ওষুধের খরচ। অতো টাকা কোথা থেকে আসবে। বাড়িতে আরও দুটো মেয়ে আছে।” বর্তমানে টোটো চালক রোশিতা টোপনো বলে, “ছয় মাস ধরে টোটো চালাচ্ছি। বাবা অসুস্থ। ভাই বা দাদা নেই। দুই ছোট বোন আছে। টোটো না চালালে বাবার চিকিৎসা ও সংসারের খরচ আসবে কোথা থেকে। তাই টোটো চালাচ্ছি।” এখন স্কুল বন্ধ। তবে স্কুল খুললে কে টোটো চালাবে তা নিয়েই চিন্তিত সে।





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.৭ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল ১৮.১ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck