শান্তিনিকেতনেই কবিগুরুর ‘মাথায়’ অমিত শাহ

19th December 2020 10:31 am পশ্চিমবঙ্গ
শান্তিনিকেতনেই কবিগুরুর ‘মাথায়’ অমিত শাহ


বোলপুর: কবিগুরুর ‘মাথায়’ অমিত শাহ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বোলপুর সফরের আগে বিতর্কিত ফ্লেক্সকে ঘিরে শান্তিনিকেতনে শোরগোল পড়েছে। শুক্রবার বোলপুরের রাস্তায় বিভিন্ন বিদ্যুতের খুঁটিতে ওই ফ্লেক্স ঘিরে সমাজের সর্বস্তরে ব্যাপক ক্ষোভ ছড়ায়। ফ্লেক্সে অমিত শাহের ছবির নীচে স্থান পেয়েছেন রবি ঠাকুর। এই ঘটনায় গুরুদেবের অবমাননার অভিযোগ উঠেছে। শান্তিনিকেতনের সর্বস্তরের মানুষ এর তীব্র নিন্দা করেছেন। প্রবীণ আশ্রমিক থেকে রাজ্য রাজনীতি—তোলপাড় পড়ে গিয়েছে সব মহলে।
আজ, শনিবার মেদিনীপুরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সভা রয়েছে। সেই সভায় শুভেন্দু অধিকারী সহ কয়েকজন বিধায়ক ও নেতার বিজেপিতে যোগদানের সম্ভাবনা। পরদিন, অর্থাৎ রবিবার বোলপুর আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁকে স্বাগত জানানোর জন্যই ছিল ফ্লেক্সের আয়োজন। শুক্রবার বোলপুর বাজারের বিভিন্ন জায়গায় টাঙানো ফ্লেক্সে দেখা যায়, উপরে অমিত শাহের ছবি, তার নীচে রবীন্দ্রনাথ। নিন্দার ঝড় গোটা রাজ্যকে গ্রাস করতে বেশি সময় লাগেনি। ক্ষোভের আঁচ ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়াতেও। কেউ লেখেন, ছিঃ। কেউ লেখেন, ‘এর চেয়ে ব্রিটিশ সরকার ভালো ছিল। তখন গুণের কদর ছিল।’ ঘটনার প্রতিবাদে বিশ্বভারতীর প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্রছাত্রীরা সুবর্ণরেখা মোড় থেকে বোলপুর পর্যন্ত ধিক্কার মিছিল বের করেন। তাঁদের বক্তব্য, রবীন্দ্রনাথের অপমান বাংলার অপমান।





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.à§­ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল à§§à§®.à§§ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck