আরও স্পেশাল ট্রেন চালাবে দক্ষিণ-পূর্ব ও পূর্ব রেল

19th December 2020 10:39 am ভারত
আরও স্পেশাল  ট্রেন চালাবে দক্ষিণ-পূর্ব ও পূর্ব রেল


, কলকাতা: যাত্রীদের সুবিধার্থে আরও দুটি স্পেশাল ট্রেন চালু করছে দক্ষিণ-পূর্ব রেল।  দুটি স্পেশাল ট্রেনের একটি চলবে হাওড়া-রাঁচি রুটে। অপরটি চলবে রাউরকেলা-ঝাড়সুগুদা রুটে। হাওড়া-রাঁচি স্পেশাল ট্রেনটি সপ্তাহে বুধ, বৃহস্পতিবার ও শনি এই তিনদিন চলবে। দক্ষিণ-পূর্ব রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ২৩ ডিসেম্বর থেকে চলবে এই স্পেশাল ট্রেনটি। হাওড়া-রাঁচি যাত্রাপথে খড়্গপুর, ঝাড়গ্রাম, চাকুলিয়া, ঘাটশিলা, টাটানগর, বরাভূম, পুরুলিয়া, ঝালদা ও মুরি স্টেশনে থামবে ট্রেনটি। রাউরকেলা-ঝাড়সুগুদা রুটে যে ট্রেনটি চলবে, তা অসংরক্ষিত প্যাসেঞ্জার স্পেশাল। আজ, শনিবার থেকে প্রতিদিন চলবে ট্রেনটি। 
অপরদিকে, যাত্রীদের সুবিধার জন্য পূর্ব রেলও আরও দুটি স্পেশাল ট্রেন চালাবে পূর্ব রেল। এই দুটি ট্রেনই চলবে ডিব্রুগড়-হাওড়া এবং হাওড়া ডিব্রুগড় রুটে। ওই দুটি ট্রেনের একটি চলবে ভায়া গুয়াহাটি এবং অপরটি ভায়া বগিবিল রুটে। ডিব্রুগড়-হাওড়া (ভায়া গুয়াহাটি) ট্রেনটি আগামী ২৬ ডিসেম্বর থেকে  প্রতি সোম, মঙ্গল, বুধ, শুক্র ও শনিবার ছাড়বে। অপরদিকে আগামী ২৯ ডিসেম্বর থেকে ট্রেনটি হাওড়া ছাড়বে প্রতি মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি, শনি ও রবিবার। ডিব্রুগড়-হাওড়া (ভায়া বগিবিল) স্পেশাল ট্রেনটি আগামী ২৭ ডিসেম্বর থেকে প্রতি বৃহস্পতি ও রবিবার ছাড়বে। ২৮ ডিসেম্বর থেকে ট্রেনটি হাওড়া ছাড়বে প্রতি সোম ও শুক্রবার। 





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck