বিজেপি এর সাথে অনেক দিন আগে থেকেই যোগাযোগ রেখেছিলেন , স্বীকার করলেন শুভেন্দু

20th December 2020 10:37 am পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
বিজেপি এর সাথে অনেক দিন আগে থেকেই যোগাযোগ রেখেছিলেন , স্বীকার করলেন শুভেন্দু


News-বিজেপিতে যোগদানের মুহূর্তে শুভেন্দু বারবারই বোঝানোর চেষ্টা করেছেন, শীর্ষ গেরুয়া নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বহু পুরনো।  মেদিনীপুরের সভায় শুভেন্দু বলেছেন, ‘‘অমিত শাহজির সঙ্গে আমার সম্পর্ক কতদিনের? তিনি তখন পার্টির মহামন্ত্রী, সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক, পূর্ব উত্তরপ্রদেশের দায়িত্বে, ২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে তিনি দলকে জিতিয়েছেন, উত্তরপ্রদেশে ঝড় বইয়ে দিয়েছেন, তখন অশোক রোডের পুরনো পার্টি অফিসের একটা ছোট্ট ঘরে অমিতজি আমাকে দর্শন দিয়েছিলেন। আর সেই দর্শনের সুযোগ করে দিয়েছিলেন এখন উত্তরপ্রদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থনাথ সিংহ।’’ সঙ্গে এ-ও বলে রেখেছেন, ‘‘কিন্তু তিনি আমাকে বিজেপিতে যোগ দিতে বলেননি।’’

বিজেপি-র প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রাহুল সিংহ অবশ্য এ দিন দাবি করেন, শুভেন্দু ২০১৫ সালেই বিজেপিতে যোগ দিতে চেয়েছিলেন। রাহুলের কথায়, ‘‘সেটা ২০১৫ সাল। সেই সময়ে শুভেন্দু বহুবার আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। কোনও কারণে যোগদান হয়ে ওঠেনি।’’ বস্তুত, ২০১৪ সালের যে সময় শাহ-সাক্ষাতের কথা বলেছেন শুভেন্দু, সেই সময়ই তৃণমূলের রাজ্য যুব সভাপতির পদ থেকে তাঁকে সরানো হয়েছিল। দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল সৌমিত্র খাঁকে। সেই সৌমিত্রও এখন বিজেপিতে।

কাগজে-কলমে তিনি বিজেপিতে গেলেন শনিবার। তবে তৃণমূলের দায়িত্বশীল পদে থাকাকালীন সেই ২০১৪-à§§à§« সাল থেকেই যে গেরুয়া-শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন, এ দিন কার্যত তা স্বীকার করে নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি, দিন কুড়ি আগে মন্ত্রিত্ব এবং দু’দিন আগে তৃণমূল ছেড়ে আসা শুভেন্দু এ দিন দাবি করলেন, বিগত দশ বছরে তৃণমূলের সরকার রাজ্যের উন্নয়নে কিছুই করেনি।

তৃণমূলের পাল্টা বক্তব্য, এক দলে ক্ষমতায় থেকে অন্য দলের সঙ্গে তলায় তলায় যোগাযোগ যিনি রেখে চলেছিলেন, তিনি যে কত বড় বিশ্বাসঘাতক তা এ দিন স্পষ্ট হয়ে গেল। তা ছাড়া, বিগত দশ বছরে রাজ্য সরকার যদি কোনও কাজ না-ই করে থাকে, তবে সেই সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে তার দায় শুভেন্দু নিজেও এড়াতে পারেন না।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck