গোপাল চন্দ্র মুখার্জী পেলেন - রাষ্ট্র প্রেরণা পুরস্কার

22nd December 2020 5:41 pm ভারত
গোপাল চন্দ্র মুখার্জী পেলেন - রাষ্ট্র প্রেরণা পুরস্কার


হোটেল ম্যারিওট , ইন্দোর , মধ্য প্রদেশ এ. আয়োজিত অনুষ্ঠানে সামাজিক কার্য এবং লেখন কার্যে উৎকৃষ্ট কাজের জন্য " রাষ্ট্র প্রেরণা এওয়ার্ড 2020 " এবং " ওয়ার্ল্ড বুক অফ স্টার রেকর্ড " এর এওয়ার্ড পেলেন  মাননীয় গোপাল চন্দ্র মুখার্জী মহাশয় ।

2004 সাল থেকে তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ ভাবে সমাজসেবা মূলক কাজের সঙ্গেও যুক্ত করে ফেলেন" রাজকিশোর নগর সমন্বয় সমিতি " নামে একটি অরাজনৈতিক সংস্থা স্থাপন করার মধ্যে দিয়ে । তিনি এই সমিতির প্রেসিডেন্ট । এই অঞ্চলে সরকারী হাই স্কুল, প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র (২ টো), ফ্রী হোমিওপ্যাথি কেন্দ্র, গ্রন্থাগার এসব স্থাপন করেন । কর্মসূত্রে তিনি প্রায় 42 বৎসর বাংলার বাইরে রয়েছেন । পূর্বে মধ্যপ্রদেশ ছিলেন , বর্তমানে ছত্তিশগড়। তবুও তিনি বাংলা ভাষাকে ভুলে যান নি । বাংলাতে কবিতা , গল্প অজস্র লিখে চলেছেন । সাহিত্য চর্চা এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নের কাজে তাঁর অবদানের জন্য যে সকল সম্মান পেয়েছেন --

১) "ছত্তিশগড় সাহিত্য দর্পণ" সংস্থা থেকে "সাহিত্য শ্ৰী" সম্মান প্রাপ্ত।

২) এছাড়াও প্রায় প্রত্যহই দেশ - বিদেশের বিভিন্ন প্রখ্যাত সাহিত্যিক সংস্থা থেকে ওনার লেখা কবিতা এবং বিবিধ বিষয়ে রচনার জন্য অভিনন্দিত হয়ে প্রশ্নসাপত্র পাচ্ছেন।

৩) " ছত্তিশগড় শাসন " দ্বারা 26/01/2016 গণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে " উৎকৃষ্ট সমাজ সেবার জন্য " প্রশস্তিপত্র এবং সম্মাননা প্রদান।

৪) ছত্তিশগড় স্টেট এডভাইজারী কমিটির মেম্বারও তিনি ( বিদ্যুৎ বিনিয়ামক আয়োগ) ।

ভারতের প্রথম স্টেট ছত্তিশগড়, যেখানে সর্বপ্রথম বিদ্যুৎ মিটারের রেন্টকে নি:শুল্ক, প্রত্যেক বিদ্যুৎ উপভোক্তাকে বিদ্যুৎ বিভাগে জমা টাকার উপর প্রত্যেক বছর ইন্টারেস্ট দেওয়ানোর ব্যবস্থা করে দেন তিনিই। এছাড়াও, বিদ্যুৎ বিলের সরলীকরণ, উপভোক্তাদের বিদ্যুৎ পরিষেবা নির্বাধ রাখার জন্য ফিউজকল সেন্টারের সংস্থাপন, বিদ্যুৎ বিলের পেমেন্ট করার জন্য এটীপী মেশিনের সর্বত্র স্থাপনা।এছাড়াও অনেকানেক বিদ্যুৎ উপভোক্তা এবং রাজ্যের উপকারের জন্য সরল নিয়মের প্রবর্তন করা ইত্যাদি কার্য্যের জন্য তাঁকে ছত্তিশগড় রাজ্য বিদ্যুৎ বিনিয়ামক আয়োগ থেকে " প্রশস্তি পত্র " প্রদান করে সম্মানিত করা হয়।

৫) সমাজসেবার কাজের জন্য সমর্পিত শ্রীমান, নিজের এলাকায় স্টেট ব্যাংকের শাখা, এলাকার নামে উপ ডাকঘর, জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের সুবিধার জন্য সম্ভাগের সমস্ত সঞ্চালিত উপ ডাকঘরে টেলিফোনের ব্যবস্থা করা এবং ঐ টেলিফোনের নম্বর সার্বজনীনভাবে প্রচার করা। রাস্তা,নালী,স্ট্রীট লাইট, নাগরিক হিতার্থে বিভিন্ন সুবিধা ইত্যাদির ব্যবস্থা করানো, সম্পূর্ণ রাজ্যে লিজরেন্টের সমাপন করানো,নাগরিক হিতার্থে কর আদির সরলীকরণ।

এরকম অনেকানেক উল্লেখ জনক কাজ আছে যেগুলো এই অল্প পরিসরে বর্নণা করা সম্ভব নয়।

৬) ১৪/০১/২০১৯ এ উৎকৃষ্ট সমাজসেবা মূলক কাজের জন্য " রাষ্ট্রীয় ব্যাপার মেলা " তে ওনাকে "ছত্তিশগড় রত্ন" সম্মানে সম্মানিত করা হয়।

৭) জাতীয় কবি পরিষদ,ঢাকা,বাংলাদেশ,ওনাকে ভারতের প্রতিনিধি এবং পরিচালক সদস্য ঘোষণা করেন।

৮) গত ২৫/০৮/২০১৯ এ "ইন্দ্রপ্রস্থ এডুকেশনাল রিসার্চ এন্ড চ্যারিটেবল ট্রাস্ট " দিল্লী দ্বারা পাটনা, বিহারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শ্রীমানকে লেখন এবং সামাজিক ক্ষেত্র তে উৎকৃষ্ট কাজের জন্য " ইন্ডিয়াজ রাইসিং স্টার 2019 " এর সম্মানে সম্মানিত করা হয়।

সারা জীবন অবিবাহিত থেকে তিনি সমাজসেবা ও সাহিত্য সাধনায় নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন । তাই তাকে পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বেলদা সাহিত্য সম্মেলন লোককবি এনামুল আলি খান এর স্মৃতিতে দেওয়া হয় " সাহিত্য রত্ন " ও " সাহিত্য বন্ধু " সম্মান । তাঁর মত মহান মানুষ আমাদের ভরতে নেই বললেই চলে ।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck