মমতার পদযাত্রায় জনসমুদ্র

30th December 2020 11:05 am পশ্চিমবঙ্গ
মমতার পদযাত্রায় জনসমুদ্র


News: আটশো মিটার বনাম চার কিলোমিটার। ‘রোড শো’ বনাম ‘পদযাত্রা’! উপলক্ষ কিন্তু একটাই—বঙ্গ রাজনীতি... গেরুয়া নাকি সবুজ! বিশ্বমানব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চারণভূমি বোলপুর-শান্তিনিকেতনের রাঙামাটি মাত্র আটদিনের ব্যবধানে সাক্ষী থাকল মানুষের পদচারণার। ২০ ডিসেম্বর হুডখোলা জিপে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বর্ণাঢ্য রোড শো দেখে গেরুয়া শিবির বাংলা দখলের বিষয়ে প্রত্যয়ী। বাংলা কার্যত দখলই হয়ে গিয়েছে, জনগর্জনে আপ্লুত অমিত শাহ এই বিশ্বাস নিয়ে দিল্লি ফিরেছিলেন। মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) তৃণমূল সুপ্রিমোর ‘পদযাত্রা’ ঘিরে জনসুনামির যে ‘শক্তি’ প্রত্যক্ষ করল গেরুয়া শিবির, তাতে ফের নতুন করে ‘রোড শো’র চিন্তাভাবনা শুরু হবেই, এমনটাই এদিন বোলপুরের মানুষের মুখে মুখে ফিরছে। 
মঙ্গলবার বোলপুরে তৃণমূল সুপ্রিমোর পদযাত্রার মধ্যে দিয়ে শক্তি প্রদর্শন করবে তৃণমূল, এমন ঘোষণা ছিলই। বীরভূম জেলার তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (কেষ্ট) আগাম জানিয়েছিলেন, দু’লক্ষ মানুষের পদচারণায় রাঙামাটিতে ধুলোর ঝড় উঠবে। এদিন সকাল থেকে একটু একটু করে বোঝা যাচ্ছিল, শুধু মুখে বড়াই করেননি অনুব্রতবাবু। তৃণমূল নেত্রীর নেতৃত্বে পদযাত্রা সূচনা হওয়ার কথা ছিল বেলা একটায়। বেলা ১১টার মধ্যেই জনারণ্য রাঙামাটির শহর, পায়ে পায়ে রাঙা ধুলোর ঝড়! সাধারণ মানুষ, কৃষক, শ্রমিক, বাউল, কীর্তনিয়া, কবিয়াল, রবীন্দ্রপ্রেমী, আদিবাসী মানুষ, কে নেই সেখানে! মিলেমিশে গোটা বাংলার খণ্ডচিত্র, বঙ্গ কৃষ্টি-সংস্কৃতির কোলাজ। বেলা যত বেড়েছে, জনতার বেষ্টনীতে ততই স্তব্ধ হয়েছে ‘রবীন্দ্র নগর’।





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.৭ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল ১৮.১ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck