বিজেপি ক্ষমতায় এলে বেলদাবাসীর জন্য কি ভাবছে দেখুন

16th January 2021 6:51 pm পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
বিজেপি ক্ষমতায় এলে বেলদাবাসীর জন্য কি ভাবছে দেখুন


News: নারায়ণগড় ব্লক এর অন্তর্গত বেলদা শহর একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান । যাতায়াত ব্যবস্থার সুবিধার কারনে এর উন্নয়ন বেশি করে  প্রয়োজন বলে মনে করছেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বিজেপির সংখ্যালঘু জেলা সাধারণ সম্পাদক নূর হোসেন খান  মহাশয় ।  তাঁর মতে বেলদার উন্নয়ন করতে তৃণমূল সরকার ব্যর্থ । বেলদা এখনও গ্রাম পঞ্চায়েত , একে পুরসভা করার ঘোষণা করেও তা করেন নি মুখ্যমন্ত্রী ।  এখানে কেন্দ্রীয় বাস স্ট্যান্ড এর ব্যবস্থা নেই ।  কেশিয়াড়ি মোড়ে  রেলগেটে অভার ব্রিজ না থাকায় মানুষের খুব অসুবিধা হয় । এই সব সমস্যার সমাধান    ছাড়াও নুর হোসেন খান বলেন আমারা ক্ষমতায় এলে  -  ভিন্ন ব্লক , মহকুমা , খেলার মাঠ , দমকল অফিস ,  মহা শ্মশানে আলোর ব্যবস্থা , উপযুক্ত নোংরা ফেলার জায়গা ও অডিটোরিয়াম এর ব্যবস্থা করবেন । 

সামনে বিধান সভা ভোটকে সামনে রেখে নারায়ণগড় বিধান সভা কেন্দ্র কে  পাখির চোখ করে  বিজেপি আজ নারায়নগড় উত্তর মন্ডলে কিষান মোর্চার সাংগঠনিক সভা করে । সভাতে  উপস্থিত ছিলেন কিষান মোর্চার জেলা সভাপতি , জেলার সংখ্যালঘু জেলা সাধারণ সম্পাদক নূর হোসেন খান , জেলাস সম্পাদক বিশ্বনাথ দোলোই ও মন্ডল সভাপতি সত্যজিৎ বাবু ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ । 





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। ৩৮ বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck