সুপ্রিম কোর্টের রায় ‘সংশোধন’ করতে অর্ডিন্যান্স জারি করুক কেন্দ্র: পাসোয়ান

15th February 2020 ভারত
সুপ্রিম কোর্টের রায় ‘সংশোধন’ করতে অর্ডিন্যান্স জারি করুক কেন্দ্র: পাসোয়ান


: সরকারি চাকরিতে তফসিলি জাতি ও উপজাতি (এসসি ও এসটি) সম্প্রদায়ের সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে অর্ডিন্যান্স জারি করুক কেন্দ্র। পাশাপাশি, উল্লিখিত সম্প্রদায়ের জন্য চাকরি সহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলিকে অন্তর্ভুক্ত করতে সংবিধান সংশোধন করা হোক। শুক্রবার এমনটাই দাবি তুলেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা লোক জনশক্তি পার্টির নেতা রামবিলাস পাসোয়ান। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট এক রায়ে জানিয়েছে, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে তফসিলি জাতি ও উপজাতি সম্প্রদায়ের প্রার্থীদের সংরক্ষণ দিতে রাজ্যগুলি বাধ্য নয়। এবং সংরক্ষণের নিরিখে পদোন্নতি দাবি করা যাবে না। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের এই রায়ের পর রাজনৈতিক মহলে তুমুল চর্চা শুরু হয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও যে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সঙ্গে সহমত নন, সেকথাও এদিন পরোক্ষেভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি। রামবিলাস পাসোয়ান বলেন, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে কেন্দ্র আর্জি জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই সংস্থান তো রয়েছে। কিন্তু, বিষয়টি সেই আদালতেই চলে যাবে। পুনর্বিবেচনার আর্জি সফল না ব্যর্থ হবে, তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। তাই আমার মতে, সবচেয়ে সহজ উপায় হল এই বিষয়গুলি নিয়ে অর্ডিন্যান্স জারি এবং সংবিধান সংশোধন করা। কেন্দ্রীয় ক্রেতা সুরক্ষা, খাদ্য ও খাদ্য সরবরাহমন্ত্রীর দাবি, সুপ্রিম কোর্টের রায়কে ‘সংশোধন’ করার জন্য দ্রুত এই পদক্ষেপগুলি নেওয়া হোক।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck