অভাবের তাড়নায় রাস্তায় সবজি বেচছেন পুলওয়ামার শহিদের স্ত্রী, পাশে দাঁড়ালেন হেমন্ত সোরেন

16th February 2020 ভারত
অভাবের তাড়নায় রাস্তায় সবজি বেচছেন পুলওয়ামার শহিদের স্ত্রী, পাশে দাঁড়ালেন হেমন্ত সোরেন


দুদিন আগেই হয়েছে পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার বছরপূর্তি। দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে শহিদ জওয়ানদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। নেতা-মন্ত্রীরাও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বড় বড় ভাষণ দিয়েছেন শহিদদের স্মৃতিতে। যেকোনও প্রয়োজনে তাঁদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর গালভরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। পুড়েছে অনেক মোমবাতিও। এর মাঝেই চাঞ্চল্যকর একটি খবর নাড়িয়ে দিয়েছে মানুষের মন। ওই জঙ্গি হামলায় শহিদ হওয়া এক  সিআরপিএফ (CRPF) জওয়ানের স্ত্রী রাস্তায় বসে সবজি বিক্রি করছেন শুনে চমকে উঠেছেন সবাই। দেশের নিরাপত্তার জন্য প্রাণ দেওয়া জওয়ানদের পরিবারের প্রতি কারও কোনও নজর নেই বলেও অভিযোগ উঠছে।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামার অবন্তীপোরায় হওয়া জঙ্গি হামলার এক বছর পূরণ হয়। দেশজুড়ে চোখের জলে সাধারণ মানুষ এই দিনটিকে স্মরণ করছিলেন। ঠিক সেই সময়ে টুইটারে এক জওয়ানের স্ত্রীর সবজি বিক্রির ছবি পোস্ট করে মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে সাহায্য করার আরজি জানান ঝাড়খণ্ডের এক ব্যক্তি। তাঁর টুইট পেয়েই সঙ্গে সঙ্গে ওই জওয়ানের স্ত্রী যেখানে থাকেন সেই গুমলা জেলার সিমদেগার ডেপুটি কমিশনারকে এই বিষয়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া নির্দেশ দেন। সবরকম সরকারি সুবিধা যাতে ওই পরিবারটি পায় তাঁর ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি যে ব্যক্তি তাঁকে টুইট করে এই বিষয়টি সম্পর্কে জানিয়েছেন তাঁকেও ধন্যবাদ জানান।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, জঙ্গি হামলার দুদিন বাদে গুমলা জেলার বাড়িতে ফিরছিল ওই শহিদ জওয়ান বিজয় সোরেনের দেহ। এরপরই তাঁর স্ত্রীকে ফোন করে আন্তরিক সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাস। কিন্ত, আশ্বাস দেওয়ার পরেও বিজেপি শাসিত তৎকালীন ঝাড়খণ্ড সরকারের তরফে কোনও রকম সাহায্য করা হয়নি বলে অভিযোগ পরিবারের। এর ফলে বাধ্য হয়ে স্থানীয় বাজারে সবজি বিক্রি করতে শুরু করেন বিজয়ের স্ত্রী। সংসার চালানোর জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck