ফেসবুক পেজে জনপ্রিয়তার নিরিখে পিকের টিমের কাছে মার্কস পেলেন না বহু বিধায়কই

17th February 2020 পশ্চিমবঙ্গ
ফেসবুক পেজে জনপ্রিয়তার নিরিখে পিকের টিমের কাছে মার্কস পেলেন না বহু বিধায়কই


: পিকের নজরে তৃণমূলের বিধায়কদের ফেসবুক পেজও। কোন বিধায়কের ফেসবুক পেজ কতটা জনপ্রিয় তার রীতিমতো তালিকা পেশ করে বিধায়কদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে টিম পিকে। আর এই তালিকা থেকেই স্পষ্ট, যেমন রাজ্যের মন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা, শুভেন্দু অধিকারী, শোধনদেব চট্টোপাধ্যায়, আসানসোলের মেয়র জিতেন্দ্র তেওয়ারির পেজ অতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, তেমনই সোশ্যাল সাইটে প্রচার করতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছেন বহু পোড় খাওয়া বিধায়কও। তাই ফেসবুকের জনপ্রিয়তার নিরিখে টিম পিকে যে রিপোর্ট কার্ড বানিয়েছে, তাতে কয়েকজনের উল্লেখযোগ্য পারফরমেন্স ছাড়া অধিকাংশই ডাহা ফেল করেছেন। পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানের মধ্যে জিতেন্দ্র তেওয়ারি ছাড়া তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়, রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় ছাড়া কারও ফেসবুক পেজের জনপ্রিয়তাই উল্লেখযোগ্য নয়।
বাংলার রাজনীতিতে এখন কর্পোরেট স্টাইলের ছোঁয়া লেগেছে। বিজেপির মতো দল রীতিমতো অঙ্ক কষে ভোটের প্রচার করে। ২০১৪ লোকসভা নির্বাচন থেকে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। তখন ভোটগুরু প্রশান্ত কিশোরের পরামর্শ মেনে নরেন্দ্র মোদি প্রচার চালিয়েছিলেন বলে জোর চর্চা হয়। ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় বিজেপির বাড়বাড়ন্ত রোধে সেই পিকেই এখন বড় ভরসা তৃণমূলের। তাই তাঁর পরামর্শেই চলছে শাসক দলের নেতা থেকে জনপ্রতিনিধিরা। বিধায়কদের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, পিকের টিম প্রতি বিধায়ককে নিজের কর্মকাণ্ড ফেসবুকে ব্যাপকভাবে প্রচারের জন্য নিজস্ব ফেসবুক পেজ খুলতে পরামর্শ দেন। তবে শুধু পরামর্শ দিয়েই থেমে থাকেনি তারা। ফেসবুক পেজে বিধায়করা কী কী পোস্ট করছেন এবং পেজটি কতটা জনপ্রিয় হচ্ছে তার তথ্যও রেখেছে টিম পিকে। এবার সেই তালিকাই বিধায়কদের পাঠিয়েছে ওই কর্পোরেট সংস্থা। সেখানেই উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। দেখা গিয়েছে ২০ হাজারের অধিক লাইক পড়া পেজকে ‘এক্সিলেন্ট’ মর্যাদা দিয়েছে তারা। এরপর ১০ হাজারের অধিক লাইক থাকলে ‘ভেরিগুড’, পাঁচ হাজারের অধিক হলে ‘গুড’, এমনকী দু’হাজারের বেশি লাইককেও ‘নট ব্যাড’ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু শাসক দলের চিন্তার বিষয়, এই চারটি বিভাগে রয়েছে মাত্র শাসক দলের ৩৩ জন বিধায়ক। বাকিদের সবার অবস্থা খারাপ। তালিকার প্রথম স্থানে লক্ষ্মীরতন শুক্লা ৩৬ হাজার ৭১২, দ্বিতীয় শুভেন্দু অধিকারীর ৩৩ হাজার ১৩০, তৃতীয় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ৩২ হাজার ৪৬৩, চতুর্থ রবীন্দ্রনাথ ঘোষ ২২ হাজার ৫৫৬ এবং পঞ্চম জিতেন্দ্র তেওয়ারি ২২ হাজার ৩০৮ লাইক পেয়েছেন। তালিকা অনুযায়ী বিধায়ক তথা এডিডিএর চেয়ারম্যান তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়ের লাইকের সংখ্যা ৭হাজার১৫৯, রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় ২ হাজার ২৬১, মলয় ঘটক ১হাজার ৯১০, বিধান উপাধ্যায় ১ হাজার ২০২, মেমারির নার্গিস বেগম ১ হাজার ৫৯, গলসির অলোককুমার মাঝি ১হাজার ২টি। বাকিদের অবস্থা আরও খারাপ। এমনকী বহু বিধায়ক আলাদা করে ফেসবুক পেজও খোলেননি বলে তালিকা থেকে প্রকাশ পেয়েছে। তবে, পঞ্চম স্থানে থাকলেও ফেসবুক পেজের সাফল্য ঩নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি আসানসোলের মেয়র তথা পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক জিতেন্দ্র তেওয়ারি। 





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.৭ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল ১৮.১ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck