ছত্তিশগড়ে মাওবাদী হামলায় শহিদ কানাই মাজির মৃত্যুতে রাজ্যের মন্ত্রী সন্ধ্যারানির শোক প্রকাশ

20th February 2020 পশ্চিমবঙ্গ
ছত্তিশগড়ে মাওবাদী হামলায় শহিদ কানাই মাজির মৃত্যুতে রাজ্যের মন্ত্রী সন্ধ্যারানির শোক প্রকাশ


মাওবাদী সংঘর্ষে ছত্তিশগড়ে প্রাণ হারালেন বাঙালি জওয়ান ৷ তিনি পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরের লাছিয়া গ্রামের বাসিন্দা ৷ গুলিতে মৃত্যু হয় তাঁর ৷ গতকাল সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটে ছত্তিশগড়ে ৷ শহিদ জওয়ানের নাম কানাই মাজি ৷ তিনি CRPF-এর 208 কোবরা ফোর্সের কমান্ডো পদে ছিলেন ৷ তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোকপ্রকাশ করেন পুরুলিয়ার মানবাজারের বিধায়ক তথা রাজ্যের অনগ্রসর উন্নয়ন বিষয়ক রাষ্ট্রমন্ত্রী মাননীয়া সন্ধ্যারানী টুডু । তিনি বলেন " ছত্তিশগড়ে নকশাল হানায় শহীদ CRPF জওয়ান আমাদের পুরুলিয়ার বাসিন্দা কানাই মাজির মৃত্যুতে আমরা গভীর ভাবে শোকাহত ও মর্মাহত। ওনার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি।। তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই।।
হে বীর তোমাকে শতকোটি প্রনাম"।

পুরুলিয়ার পুলিশ সুপার এস সিলভামুরুগান জানান, ছত্তিশগড়ের সুকমা জেলায় গতকাল সন্ধ্যা নাগাদ কিস্তারাম থানার পালোদি গ্রামের কাছে মাওবাদীদের সঙ্গে কোবরা বাহিনীর সংঘর্ষ শুরু হয় ৷ সেই সময় পালটা জবাব দেন জওয়ানরাও ৷ তখনই মাওবাদীদের দিক থেকে ছোড়া গুলি এসে লাগে কানাইয়ের ৷ ঘটনার পর চিকিৎসার জন্য তাঁকে হেলিকপ্টারে করে রায়পুর নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল ৷ পথেই প্রাণ হারান ওই জওয়ান ৷

জেলা পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, "আজ বিকেল নাগাদ কানাইয়ের গ্রামের বাড়িতে দেহ আনা হতে পারে ৷ সেখানেই পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর শেষ কৃত্য সম্পন্ন করা হবে ৷''





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.à§­ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল à§§à§®.à§§ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck