ফলকনামা এক্সপ্রেসের ধাক্কায় খড়গপুরে মৃত ৩ রেলকর্মী

3rd April 2021 9:15 pm পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
ফলকনামা এক্সপ্রেসের ধাক্কায় খড়গপুরে মৃত ৩ রেলকর্মী


News: যাত্রী সুরক্ষার কথা ভেবেই খড়গপুরের দুঁয়া ও বালিচকের মাঝে রেল লাইন মেরামতির কাজ করছিল গ্যাংম্যানরা। আর সেই কাজ করতে গিয়েই ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে প্রাণ হারালেন গ্যাংম্যানরা। ফলকনামা এক্সপ্রেসের চাকায় পিষ্ঠ হয়ে মারা গেলেন ৩ রেলকর্মী। গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ১ জন। রেল সূত্রে খবর, খড়গপুরের দুঁয়া ও বালিচকের মাঝে রেললাইনে কিছু সমস্যা থাকায় তা সারাইয়ের কাজ ব্যস্ত গ্যাংম্যানরা। অথচ সেই লাইন দিয়েই দ্রুতগতিতে ছুটে আসছিল ফলকনামা এক্সপ্রেস। গ্যাং ম্যানরা টের পাওয়ার আগেই ঘটে যায় ভয়াবহ দুর্ঘটনা। ফলকনামা এক্সপ্রেসের চাকায় পিষ্ঠ হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় ৩ গ্যাংম্যান। এই দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে রেলের তরফে জানানো হচ্ছে, খড়গপুরের দুঁয়া ও বালিচকের মাঝে রেললাইনে কাজ করছিলেন রেলের ৪ কর্মী। তাঁরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই পিছন থেকে দ্রুতগতিতে এসে ফলকনামা এক্সপ্রেস পিষে দিয়ে চলে যায়। যাঁরা লাইনে কাজ করছিলেন তাঁদের কাছে সেই সময় ফলকনামা এক্সপ্রেস যে ওই লাইন দিয়েই সেই সময় আসছে তাক কোনও তথ্য ছিল না। গোটা ঘটনার উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত করে খতিয়ে দেখা হবে। প্রাক্তন রেল আধিকারিকদের মতে, ‘‌এখনকার রেলের ইঞ্জিনগুলিতে কোনও শব্দ না হওয়াতেই হয়তো সমস্যা দেখা দেয়। আর রেল লাইনে সেই সময় গ্যাং ম্যানরা কাজ করার সময় সেভাবে খেয়াল করেনি যে পিছন থেকে ফলকনামা এক্সপ্রেস আসছিল। খেয়াল না করাতেই ঘটে গেল এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা। তবে ট্রেনের চালক কেন লক্ষ্য করেননি যে রেল লাইনে গ্যাংম্যানরা কাজ করছিল তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে’‌।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। ৩৮ বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck