শিক্ষক নিয়োগের নিয়মে আমুল বদল আনছে রাজ্য

22nd February 2020 শিক্ষা
শিক্ষক নিয়োগের নিয়মে আমুল বদল আনছে রাজ্য


শিক্ষক নিয়োগের ভুরিভুরি মামলা ও নিয়োগ হতে অপেক্ষাকৃত বেশি সময় লাগা। আর তার জেরেই শিক্ষক নিয়োগের নিয়মে একাধিক সরলীকরণ করল রাজ্য।ইতিমধ্যেই নয়া নিয়ম রাজ্য মন্ত্রিসভা অনুমোদনও দিয়েছে। পরবর্তী শিক্ষক নিয়োগের সময় থেকে নয়া নিয়মেই রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ হবে। শিক্ষক নিয়োগের নিয়মে সরলীকরণ এর ব্যাপারে ইতিমধ্যেই শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।সেই মোতাবেক একাধিক বদল আনা হলো স্কুল সার্ভিস কমিশন মারফত শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়াতে।

গত কয়েক বছরে একাধিক আইনি জটিলতা জেরে বারে বারে থমকে যাচ্ছে এসএসসির শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া। কমিশনের একাংশের মতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একাধিক জটিলতা থাকায় আইনি প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে কমিশনকে।এবার তাই শিক্ষক নিয়োগের বিধিকেই খোলনলচে বদলে দেওয়া হলো। বদল হওয়া বিধিতে বলা হয়েছে:

১) উচ্চ প্রাথমিক, নবম- দশম,একাদশ-দ্বাদশ এর জন্য একটি মাত্রর পরীক্ষা হবে। পরীক্ষার্থীরা আবেদনপত্রে গুরুত্ব অনুযায়ী আবেদন করবেন। এক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীরাা একটি মাত্রই পরীক্ষা দিতে পারবেন। এতদিন অবশ্য তিনটি ক্ষেত্রে আলাদাই পরীক্ষা নেওয়া হত।

২) পরীক্ষার্থীরা টেট উত্তীর্ণ করার পর আবেদন করতে পারবেন লিখিত পরীক্ষার জন্য। এক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষায় মাতৃভাষাও ইংরেজি যাচাই করা হবে। তাই এবার এই প্রথম পরীক্ষার্থীদের ৫০ নম্বর করে মাতৃভাষা ও ইংরেজির পরীক্ষা দিতে হবে।

৩) মাতৃভাষা ও ইংরেজি পরীক্ষার পাশাপাশি পরীক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট বিষয়ের ও পরীক্ষা দিতে হবে। এই পরীক্ষা মোট ১০০ নম্বরের নেওয়া হবে।

৪) তবে এক্ষেত্রে বিষয়ের পরীক্ষা গুলি নেওয়া হবে ওএমআর শীটে।

৫) তবে লিখিত পরীক্ষার পর থাকছে না কোন ইন্টারভিউ।অর্থাৎ লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেেই সরাসরি চাকরি পাওয়ার সুযোগ থাকবে।

তবে শুধুুুু পরীক্ষার নিয়মেই পরিবর্তন আনা হয়নি, পোস্টিং এর ক্ষেত্রেও আনা হচ্ছে বড়োসড়ো পরিবর্তন। মূলত এবার থেকে থাকবে না উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের জন্য কোন কাউন্সিলিং প্রক্রিয়া।

নয়া পরিবর্তনে পাবলিক সার্ভিস কমিশনেের ধাঁচে চাকরির পোস্টিং দেওয়া হবে কমিশনের তরফে। এর জন্য নির্দিষ্ট রূপরেখা তৈরি করছে স্কুল শিক্ষা দপ্তর। সূত্রের খবর, পাবলিক সার্ভিস কমিশন উত্তীর্ণ প্রার্থীদের যেভাবে চাকরির পোস্টিং দেয় এক্ষেত্রেও তাই করা হবে। তবে যাতে নিজেদের বাড়ির জেলাতেই চাকরি পান পরীক্ষার্থীরা সেদিকেও নজর রেখেই প্রয়োজনীয় রূপরেখা তৈরি করছে স্কুল শিক্ষা দপ্তর বলেই সূত্রের খবর।





Others News

প্রাথমিক টেট প্রস্তুতি -- শিশু মনোবিদ্যা

প্রাথমিক টেট প্রস্তুতি -- শিশু মনোবিদ্যা


প্রাথমিক টেট প্রস্তুতি 

*শিশু মনোবিদ্যা *

 

১.শিশু কেন্দ্রিক শিক্ষার জনক- রুশো

২. সমস্যা সমাধান পদ্ধতি - জন ডিউই।

৩.বুদ্ধির দলগত উপাদান তত্ব- থর্ন ডাইক।

৪. বুদ্ধির একক উপাদান তত্ব- স্টার্ন।

৫.বুদ্ধির বহু উপাদান তত্ব-থার্স্টোন।

৬.বুদ্ধির বাছাই তত্ব- থমসন।

৭.বুদ্ধির দ্বি- উপাদান তত্ব- স্পিয়ারম্যান।

.সামাজিক চুক্তি নীতির প্রবক্তা- হেগেল।

৯.কাসা দাই বাম বিনি প্রতিস্টা করেন- মাদাম মন্তেসরি।

১০.শিক্ষক কে বাগানের মালির সংগে তুলনা করেন- ফ্রয়বেল।

১১.শিখনের সক্রিয়া অনুবর্তন তত্ব-স্কিনার।

১২.শিখনের প্রাচীন অনুবর্তন তত্ব- প্যাভলভ।

১৩.শিখনের সমগ্রতা বাদী তত্ব- কোহলার; কফকা; ওয়ার্দিমার।

১৪.শিশু নিকেতন স্থাপন- মন্তেসরি।

১৫.শিশুর নৈতিক বিকাশ তত্ব- কোহলবার্গ।

১৬.শিশুর জ্ঞানমূলক বিকাশ তত্ব- পিয়াঁজে।

১৭.প্রকল্প পদ্বতি- কিল প্যাট্রিক।

১৮.কিন্ডার গার্ডেন পদ্ধতি- ফ্রয়বেল।

১৯.বুদ্ধির প্রাথমিক মানসিক ক্ষমতা তত্ব- থার্স্টোন।

২০.বুদ্ধির 3Dতত্ব-জে.পি.গিলফোর্ড।

২১.মানসিক বয়স ধারণাটি উদ্ভাবন করেন- বিঁনে- সাইমন।

২২.আচরণ বাদের প্রতিষ্ঠাতা- ওয়াটসন।

২৩.শিখনের চিহ্নিতকরণ তত্ব-টলম্যান।

২৪.প্রাকপ্রাথমিক শিক্ষার কথা প্রথম বলেন- প্লেটো।

২৫.শিখনের প্রচেষ্টা অ ভুল তত্ব- থর্নডাইক।

২৬.প্রথম বুদ্ধির অভীক্ষা তৈরি করেছিলেন- আলফ্রেড বিঁনে সাইমন।

২৭.শিখনের সামাজিক নির্মিতিবাদ - ভাইগটস্কি।

২৮.বুদ্ধির সংগঠন সংক্রন্ত তত্ব- গিল ফোর্ড।

২৯.মন: সামাজিক বিকাশ তত্ব: এরিকসন।

৩০.সমস্যা সমাধান মুলক গবেষনা - থর্ন ডাইক।

( প্রতিদিন দেওয়া হবে প্রশ্ন - উত্তর ) 

--- Tarif Alam 

 


blanck