ছয় জন মুসলিমকে জ্বলন্ত বাড়ি থেকে উদ্ধার করেন এক হিন্দু ভাই

27th February 2020 ভারত
ছয় জন মুসলিমকে জ্বলন্ত বাড়ি থেকে উদ্ধার করেন এক হিন্দু ভাই


উত্তর-পূ্র্ব দিল্লির বিভিন্ন জায়গায় হিংসা ছড়ালেও শিব বিহার এলাকাতে শান্তি বজায় ছিল। এখানকার হিন্দু ও মুসলিম বাসিন্দারা কোনওরকম প্ররোচনায় পা দিয়ে গন্ডগোলে জড়াননি। কিন্তু, মঙ্গলবার রাতে আচমকা ওই এলাকার কিছু মুসলিম বাসিন্দার বাড়িতে পেট্রল বোমা মারতে শুরু করেন কিছু বহিরাগত দুষ্কৃতী। এর ফলে বেশ কয়েকজনের বাড়িতে আগুন লেগে যায়। এই খবর শোনার পরেই তাদের বাঁচাতে ছুটে যান প্রেমকান্ত বাঘেল। ঘটনাস্থলে পৌঁছে যানতে পারেন তাঁর এক বন্ধুর বৃদ্ধা মা ও আরও কয়েকজন মানুষ তাঁদের বাড়িতে আটকে পড়েছেন। সেখানে ভয়াবহ আগুন লেগে যাওয়ায় কেউ তাঁদের উদ্ধার করতে যাচ্ছিল না। কিন্তু, এই কথা শুনে আর স্থির থাকতে পারেননি প্রেমকান্ত। আশপাশের সবাই বারণ করলেও জ্বলন্ত বাড়ির মধ্যে ঢুকে গিয়ে মুসলিম বন্ধুর বৃদ্ধা মা-সহ মোট ৬ জনকে বাইরে বের করে আনেন।
এই ঘটনার ফলে ওই ছ’জনের খুব একটা চোট আঘাত না লাগলেও মারাত্মকভাবে জখম হন তাঁদের রক্ষাকর্তা। শরীরের ৭০ শতাংশ পুড়ে যায় তাঁর।
বর্তমানে দিল্লির জিটিবি(GTB) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck