স্বচ্ছ ও দ্রুত নিয়োগের লক্ষ্যেই এসএসসিতে নতুন ব্যবস্থা: পার্থ

6th March 2020 পশ্চিমবঙ্গ
স্বচ্ছ ও দ্রুত নিয়োগের লক্ষ্যেই এসএসসিতে নতুন ব্যবস্থা: পার্থ


এসএসসিতে স্বচ্ছতার সঙ্গে দ্রুত নিয়োগের লক্ষ্যেই নতুন ব্যবস্থা নিয়ে আসা হয়েছে। বৃহস্পতিবার পুরুলিয়ার সিধো-কানহো বীরসা বিশ্ববিদ্যালয়ে চতুর্থ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় একথা বলেন। তিনি বলেন, যাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকবে, তিনি অবশ্যই চাকরির পরীক্ষায় ভালো করতে পারবেন। আগে ওই নম্বরের নামে আসলে ‘দলের নম্বর’ যোগ হতো। এই à§® বছরে আমি দেখে নিয়েছি, কিসে গলদ রয়েছে। বিতর্ক সরিয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নই রাজ্য সরকারের মূল লক্ষ্য বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।  অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের অনগ্রসর উন্নয়ন মন্ত্রী মাননীয়া সন্ধ্যারানি টুডু ও শান্তিরাম মাহাত ।
অন্যদিকে, এদিনই বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘জঙ্গলমহল স্বীকৃতি’ সম্মান দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ওই স্মারক শিক্ষামন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয়। এদিন সমাবর্তন অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, স্বচ্ছতার সঙ্গে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ প্রয়োজন। সেই জন্যই নতুন ব্যবস্থা আনা হয়েছে। গত পাঁচ বছর ধরে এসএসসির আপার প্রাইমারি নিয়োগ করাতে পারছি না। সবাই কোর্টে যাচ্ছে। আমাকে তো দেখতে হবে যাতে এমন ব্যবস্থা করা যায়, যার মাধ্যমে নিয়োগ করা সম্ভব হবে। সেই সিস্টেম ‘ফুল প্রুফ’ হবে কি না ভবিষ্যৎই বলবে। নিয়োগ প্রক্রিয়া যাতে কোনওমতেই দীর্ঘায়িত না হয়, তা দেখতে হবে। বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠন ও হাইকোর্টকে জিজ্ঞাসা করুন, যাঁরা প্রতিনিয়ত মামলা করেন, তাঁরা আমাদের কাছে এসে কথা বলে মেটান না কেন?
তিনি বলেন, আগের সরকার যে সাড়ে চার লক্ষ লোক ঢুকিয়ে দিয়ে গিয়েছে, তাঁদের আদৌ দরকার আছে কি না তা দেখতে হবে। কোথাও দরকার আছে, আবার কোথাও দরকার নেই। কোথাও আবার স্কুল উঠে গিয়েছে, অথচ শিক্ষক রয়েছেন। এসব তো আমাদের খুঁজে বের করতে হবে।
পার্থবাবু আরও বলেন, উচ্চশিক্ষা বিলের বিষয়ে অযথা বিতর্ক হচ্ছে। ২০১৭সালে ওই বিল পাশ হয়ে আছে। এখন তার গেজেট প্রকাশ হয়েছে। এতে নতুনত্ব কী আছে? তাছাড়া বিতর্ক বা শিক্ষক সংগঠন দেখে তো আর কাজ হবে না। শিক্ষার উন্নয়নের জন্য যা দরকার, তাই করা হবে। এসএসসির নতুন নিয়মের বিষয়টি এখনও ভালো করে দেখিনি। পুরোটা না দেখে মন্তব্য করা ঠিক না। তবে, সাধারণ মানুষ হিসেবে বলতেই পারি, চাকরির পরীক্ষাতে বসার জন্য ন্যূনতম যে শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রয়োজন, তা থাকলেই হয়। তার থেকে বেশি তো দরকার নেই। শিক্ষিত হয়েও যদি চাকরির পরীক্ষায় মাত্র ৩০ পান, তাহলে কী হবে? এতদিন ধরে জেলায় জেলায় সিপিএম ওই কাজ করেছে। যাঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতা রয়েছে, ভালো নম্বর পান, তাঁরা চাকরির পরীক্ষাতেও ভালো নম্বর পাবেন। হয়তো দু-একজন ছিটকে যেতে পারেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সারা ভারতে শুধু দু’জন ও কতিপয় ব্যবসায়ীর সম্পত্তি বাড়ছে। বাকি ভারতবর্ষ জ্বলছে। জঙ্গলমহলের কাজের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিশেষ স্বীকৃতি ও সম্মান দেওয়া হয়েছে। এই স্বীকৃতি তাঁর প্রাপ্য। কারণ জঙ্গলমহলের জন্য তাঁর মতো আর কেউ কাজ করেননি।
এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে পুরুলিয়া জেলার মৃৎশিল্পী ধ্রুব দাসকে ‘পুরুলিয়া সম্মান’ দেওয়া হয়। এবারই প্রথম সিধো কানহো বীরসা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এই সম্মান দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, এদিকে এবার চতুর্থ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাজ্যপালের অনুমোদন না আসায় কাউকে ‘ডিলিট’ উপাধি দিতে পারল না বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে দু’জনের নামের প্রস্তাব পাঠানো হলেও তার অনুমোদন মেলেনি বলে জানা গিয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য তথা রাজ্যপাল আসেননি। এবিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দীপক কুমার করকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁর কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.à§­ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল à§§à§®.à§§ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck