পশ্চিম মেদিনীপুরে দুয়ারে রেশন এর কাজের প্রস্তুতি

11th September 2021 8:28 am পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
পশ্চিম মেদিনীপুরে দুয়ারে রেশন এর কাজের প্রস্তুতি


News: পশ্চিম মেদিনীপুরে দুয়ারে রেশন প্রকল্পের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখলেন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী জ্যোৎস্না মাণ্ডি। শুক্রবার তিনি জেলাশাসক রশ্মি কমল, জেলা খাদ্য নিয়ামক অরবিন্দ সরকার সহ প্রশাসনিক আধিকারিক, জনপ্রতিনিধি ও রেশন ডিলারদের সঙ্গে বৈঠক করেন। জেলায় দুয়ারে রেশন প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ডিলাররা তাঁদের সমস্যার কথাও তুলে ধরেন। খাদ্য নিয়ামক বলেন, ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে জেলার ১৭৫টি রেশন দোকানকে বেছে নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে এই প্রকল্প চালু হচ্ছে। ১৫দিন চলবে। এক আধিকারিক বলেন, অক্টোবর মাসে দোকানের সংখ্যা আরও বাড়বে। জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি অজিত মাইতি বলেন, মন্ত্রী এদিন জানিয়ে দিয়েছেন এই প্রকল্প বাস্তবায়িত করতেই হবে। প্রতিটি বাড়িতে রেশন পৌঁছে দিতে হবে। কোথাও কোনও সমস্যা আছে কি না তাও তিনি খোঁজ নেন। এই জেলায় কোথাও কোনও অসুবিধা নেই। মুখ্যমন্ত্রীর এই প্রকল্পকে জেলায় বাস্তবায়িত করা হবে। 
ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের জেলা সম্পাদক ফজলু আলম বলেন, আমরা মন্ত্রীকে কিছু সমস্যার কথা জানিয়েছি। আমরা মন্ত্রীকে জানিয়েছি, মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের এই প্রকল্পকে বাস্তবায়িত করতে আমরা সবরকম চেষ্টা করব। রাস্তা খারাপ থাকায় ও সার্ভারের সমস্যা থাকায় কিছু এলাকায় অসুবিধা হবে। 





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। ৩৮ বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck