বিরোধীকে তির অমিতের, বাহবা পেল দিল্লি পুলিশ

12th March 2020 ভারত
বিরোধীকে তির অমিতের, বাহবা পেল দিল্লি পুলিশ


নাম করে দিল্লি পুলিশের প্রশংসা। আর নাম না-করে কংগ্রেসের দিকে অভিযোগের আঙুল। আজ দিল্লির হিংসা নিয়ে আলোচনায় লোকসভায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের জবাবি ভাষণের নির্যাস এটাই। পাশাপাশি, বিরোধীরা আজ সংঘর্ষে নিহত-আহতদের ধর্মভিত্তিক সংখ্যা উল্লেখ করলেও কৌশলী শাহ বলেন, ‘‘হিংসায় কত জন মারা গিয়েছেন, আহত হয়েছেন, তা নিয়েও ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন করব! হিংসায় ৫২ জন ভারতীয়ের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ৫২৬ জন ভারতীয়।’’

অমিতের দাবি

• পুলিশের কাছে প্রথম অভিযোগ আসে ২৪ ফেব্রুয়ারি বেলা ২টোয়। শেষ অভিযোগ আসে ২৫ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায়। উত্তর-পূর্ব দিল্লি অশান্ত ছিল ৩৬ ঘণ্টা।
• পুলিশ গুলি ছুড়েছে ৪০০ রাউন্ড। কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়েছে ৫ হাজার রাউন্ড।
• উত্তরপ্রদেশ থেকে প্রায় ৩০০ লোক এসেছিল। সংঘর্ষে মদত দিতে টাকা এসেছে বাইরে থেকে। হাওয়ালার মাধ্যমে। 
• আইএস মডিউলের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। ধৃত দু’জন।
• সংঘর্ষ ছড়াতে ২২ ফেব্রুয়ারি ৬০টি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল। যা ২৬ ফেব্রুয়ারি বন্ধ হয়।
• ৭০০টি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ২৬৪৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মুখ চিহ্নিতকরণ সফ্‌টওয়্যার দিয়ে ভিডিয়ো ফুটেজ থেকে শনাক্তকরণের কাজ চলছে।
• ২টি বিশেষ তদন্তকারী দল গড়া হয়েছে। এ ছাড়া, সক্রিয় পুলিশের ৪০টি দল।
• নিহত ৫২ জন ভারতীয়। আহত ৫২৬ ভারতীয়।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck