মূর্তি গড়ে মুখ্যমন্ত্রীর পুজো ভূপতিনগরে

12th March 2020 পশ্চিমবঙ্গ
মূর্তি গড়ে মুখ্যমন্ত্রীর পুজো ভূপতিনগরে


এই না হলে ভক্ত! রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির প্রতি ভক্তি, শ্রদ্ধা ও ভালবাসার নিদর্শন হিসেবে বাড়িতে মূর্তি গড়ে তাঁকে দেবতার আসনে বসিয়েছেন ভগবানপুর ২ নম্বর ব্লকের মাধাখালির বাসিন্দা প্রাক্তন এক অধ্যাপক। গত প্রায় ৪ বছর ধরে দেবতা জ্ঞানে নিত্যপুজো ‌করছেন সেই মূর্তিকে। 
অশীতিপর প্রাক্তন অধ্যাপক সুদর্শন রায়ের এমন কাজে তিনি এখন আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে উঠেছেন নানা মহলে। মুখ্যমন্ত্রীর কাজকর্মে অনুপ্রাণিত হয়েই তিনি মূর্তি বানিয়েছেন। তাঁর কথায়, ‘‌দেশের কোনও রাজ্যে এমন উন্নয়ন আগে হয়নি। যা মমতার আমলে বাংলায় হয়েছে। আর সেই কৃতজ্ঞতা বোধ থেকেই তঁাকে দেবতার আসনে বসিয়েছি। বাড়ির ঠাকুরের আসনেই প্রতিষ্ঠা করেছি মুখ্যমন্ত্রীর মূর্তি। শ্বেতপাথরের তৈরি ৮০ কেজির মূর্তি বসাতে খরচ হয়েছে লক্ষাধিক টাকা।’‌ মুখ্যমন্ত্রীর মূর্তির পাশেই স্থান পেয়েছেন সুদর্শনবাবুর প্রয়াত বাবা–মা এবং অন্যান্য দেবদেবীর ছবি। মুখ্যমন্ত্রীকে দেবতা জ্ঞানে পুজো করা উচিত বলে মনে করেন সুদর্শনবাবু। তাঁর সেই আহ্বানে গত কয়েক বছর ধরে মাধাখালি গ্রামে ভিড়ও বাড়ছে মমতাভক্তদের। গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকে মূর্তি গড়ার স্বপ্ন ছিল সুদর্শনবাবুর। তিনি চেয়েছিলেন, দ্বিতীয়বারও মুখ্যমন্ত্রীর আসনে মমতা ব্যানার্জিই বসুন। আর ঠিক করেছিলেন মমতা দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হলে তঁার মূর্তি গড়বেন নিজের বাড়িতে। সুদর্শনবাবুর অবর্তমানে মমতার পুজো করেন তাঁর স্ত্রী প্রাক্তন শিক্ষিকা দীপ্তি রায়। একমাত্র ছেলে থাকেন আমেরিকায়। তিনিও যাতে ভবিষ্যতে মমতার পুজো করেন তেমন নির্দেশ দিয়েছেন সুদর্শনবাবু। জীবদ্দশায় মমতার সকাশে আসাই একমাত্র ইচ্ছে তাঁর। মমতার মূর্তিপুজোর সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক যোগ নেই বলেও জানিয়েছেন সুদর্শনবাবু। তিনি বলেন, ‘‌মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক দক্ষতা এবং চিন্তাভাবনা আমাকে মুগ্ধ করেছে। তাই মাতৃজ্ঞানে তাঁর পুজোপাঠ করি।’‌ দলের সদস্য না হয়েও মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি তঁার ভালবাসা দেখে মুগ্ধ স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। ‌





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.৭ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল ১৮.১ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck