News: : ম্যাঙ্গানিজ মেটালের উপর গবেষণা করে তিনটি ইয়ং সায়েন্টিস্ট অ্যাওয়ার্ড পেলেন কল্যাণীর এক বিজ্ঞানী। তাঁর নাম বিপ্লব মাজী। মোহনপুরে অবস্থিত ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ, (আইআইএসইআর) কলকাতায় তিনি রসায়নশাস্ত্রের সহযোগী অধ্যাপক। ভারত সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের অধীন ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল সায়েন্স অ্যাকাডেমি তাঁকে ইয়ং সায়েন্টিস্ট খেতাবে ভূষিত করেছে। এছাড়া, ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সেস ইন্ডিয়া অধ্যাপক মাজীকে ইয়ং সায়েন্টিস্ট-এর পদক দিয়েছে। পাশাপাশি, ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সেস ওই অধ্যাপককে ইয়ং অ্যাসোসিয়েট হিসেবেও সম্মানিত করেছে।
অধ্যাপক মাজী বলেন, একটি বেসরকারি কেমিক্যাল প্রস্তুতকারক সংস্থার উদ্যোগে ম্যাঙ্গানিজ মেটাল শাখায় সাসটেইনেবল ক্যাটালিস্ট ডেভেলপমেন্টে বিশেষ অবদানের জন্য এবছর আমাকে আরও একটি ইয়ং সায়েন্টিস্ট অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে। আমার ল্যাবরেটরিতে ১৫ জন রিসার্চ স্কলার এবং তিনজন মাস্টার্স স্টুডেন্ট কাজ করছেন। গবেষণায় তাঁদেরও যথেষ্ট অবদান রয়েছে।
বেলুড় বিদ্যামন্দিরের ছাত্র, বিজ্ঞানী অধ্যাপক মাজী জার্মানি থেকে পিএইচডি করার পর ২০১৬ সালে মাত্র ২৯ বছর বয়সে আইআইএসইআর, কলকাতার সঙ্গে যুক্ত হন। গবেষণার মাধ্যমে তিনি মূলত নতুন নতুন অনুঘটক তৈরির কাজ করে থাকেন। ম্যাঙ্গানিজের নতুন অনুঘটক তৈরি করে তিনি অ্যাওয়ার্ডগুলি পেয়েছেন। তাঁর গবেষণায় প্রমাণ করা গিয়েছে যে এই অনুঘটকগুলি ভালো কাজ করছে। ওষুধের মতো আরও নানা জিনিস তৈরি করতে অনুঘটকের প্রয়োজন হয়।
এই বিজ্ঞানীর দাবি, তাঁর আবিষ্কৃত অনুঘটকগুলি যদি বাজারজাত করে ব্যবহার করা যায়, তাহলে পর্যাপ্ত জোগান মেটানোর পাশাপাশি দামও কমানো যাবে। কারণ ম্যাঙ্গানিজ মাটির তলায় প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। জোগানের দিক থেকে লোহা এবং টাইটেনিয়ামের পরেই রয়েছে ম্যাঙ্গানিজের স্থান। ফলে জোগান পর্যাপ্ত থাকলে দাম কমার সম্ভাবনা থাকে। ম্যাঙ্গানিজের নতুন এই অনুঘটক বাজারজাত করতে পারলে পরোক্ষে তার সুফল সাধারণ মানুষই পাবেন।