করোনা রুখতে সার্কের দেশগুলিকে বার্তা নরেন্দ্র মোদীর

15th March 2020 ভারত
করোনা রুখতে সার্কের দেশগুলিকে বার্তা নরেন্দ্র মোদীর


করোনা মোকাবিলার কৌশল বের করতে সার্ক গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলিকে নিয়ে ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে মতামত বিনিময়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তা সমর্থন করেছিল পাকিস্তানের ইমরান খান সরকারও। তার চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই রবিবার করোনা ঠেকাতে ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে মতের আদান প্রদান করল দক্ষিণ এশিয়ার ওই মঞ্চটির এক্তিয়ারে থাকা দেশগুলি। সার্ক গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলিকে করোনার আতঙ্ক কাটিয়ে, রোগ ঠেকাতে একজোট হয়ে, উপযুক্ত পদক্ষেপ করার বার্তা দেন মোদী। সার্কের নেতাদের বলেন, ‘‘ভয় পাবেন না, রোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকুন।’’ সেই সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু-র ‘অতিমারী’ তকমা দেওয়া ওই রোগ ঠেকাতে ভারত কী কী ব্যবস্থা নিচ্ছে তাও-ও তুলে ধরেন তিনি।

এ দিন নরেন্দ্র মোদী বলেন, ‘‘করোনাভাইরাস যাতে থরহরিকম্প তৈরি করতে না পারে সে ব্যাপারে আমরা সাবধানী ছিলাম। আমরা ওই ভাইরাসের প্রকোপ রুখতে ধাপে ধাপে পদক্ষেপ করে চলেছি। ধাপে ধাপে নানা পদক্ষেপই এর আতঙ্ক মুছে দিতে আমাদের সাহায্য করেছে।’’ এর পরেই প্রধানমন্ত্রী যোগ করেছেন, গোটা দেশ জুড়েই করোনা নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে প্রচার শুরু হয়েছে। এছাড়াও চিকিৎসা সংক্রান্ত সুযোগ সুবিধা বাড়ানোর কাজও চলছে।

মোদী আরও বলেন, ‘‘এই অতিমারী রুখতে প্রতিটি ক্ষেত্রে নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে স্ক্রিনিং, সংক্রমণ খুঁজে বের করা, কোয়ারান্টাইন এবং আইসোলেশন পরিষেবা। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীদের হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার বিষয়টিও।’’





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck