ট্রেন ফাঁকা করে তল্লাশি খড়গপুর স্টেশনে

21st March 2020 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
ট্রেন ফাঁকা করে তল্লাশি খড়গপুর স্টেশনে


TARIF TV: শুক্রবার দুপুরে খড়্গপুর স্টেশনের ৬ নম্বর প্ল্যাটফর্ম তোলপাড় হয় বেঙ্গালুরু-গুয়াহাটি এক্সপ্রেস সন্দেহভাজন এক করোনা আক্রান্তের খোঁজে। তবে শেষপর্যন্ত তাঁর খোঁজ মেলেনি। রেলের কাছে খবর ছিল, ওই ট্রেনের সাধারণ কামরায় অসমের রঙ্গিয়া ডিভিশন এলাকার এক যুবক সফর করছেন। বেলা পৌনে দু’টো নাগাদ ওই ট্রেনটি পৌঁছলে তার তিনটি সাধারণ কামরা থেকে যাত্রীদের নামিয়ে আনা হয়। প্রায় চল্লিশ মিনিট ধরে তল্লাশি চলে। ওই যুবকের যে ফোন নম্বর রেলের কাছে ছিল তাতে ফোন করলেও কেউ ধরেননি। ওই যুবকের ছবির সঙ্গে যাত্রীদের মুখ মিলিয়ে খোঁজ শুরু হয়।  হ্যান্ড মাইকে ওই যুবকের নাম ধরে ডাকা হলেও কাজ হয়নি। আড়াইটে নাগাদ কামরাগুলি পরিষ্কার করে যাত্রীদের তুলে ট্রেন ছেড়ে দেওয়া হয়। খড়্গপুরের স্টেশন মাস্টার দেবেন্দ্রকুমার পণ্ডা বলেন, “কন্ট্রোল থেকে ছবি-সহ বিস্তারিত দিয়ে ওই যাত্রীকে খোঁজার কথা বলা হয়েছিল।”

রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, অসমের রঙ্গিয়া ডিভিশন থেকেই জানানো হয় যে সফররত ওই যুবক বা তাঁর পরিজনদের কেউ করোনায় আক্রান্ত বলে অনুমান। প্রথমে বালেশ্বর তারপরে খড়্গপুরে ট্রেন থামিয়ে খোঁজ করা হয়। খড়্গপুর রেলের সিনিয়ার ডিভিশনাল কমার্শিয়াল ম্যানেজার আদিত্য চৌধুরী বলেন, “ওই যুবককে খোঁজার চেষ্টা হলেও পাওয়া যায়নি।”





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck